Home /News /sports /

কেরিয়ারের সেরা মুহূর্ত বেছে নিলেন সচিন, দেখুন

কেরিয়ারের সেরা মুহূর্ত বেছে নিলেন সচিন, দেখুন

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের সেই রাত সচিনের জীবনের সেরা মুহূর্ত

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের সেই রাত সচিনের জীবনের সেরা মুহূর্ত

দেশে ও বিদেশের মাঠে বারবার জ্বলে উঠেছে তাঁর ব্যাট। তবে সচিন তেন্ডুলকরের কাছে জীবনের সেরা মুহূর্ত হল ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয়। সেটা ফের একবার অকপটে স্বীকার করে নিলেন মাস্টার ব্লাস্টার

  • Share this:

    #মুম্বই: তিনি অবসর নিয়েছেন ভাবলেও অবাক লাগে ক্রিকেটপ্রেমীদের। ভারতের জার্সিতে তিনি ওপেন করবেন না, এটা মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়েছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের। কিন্তু সময় আর সমুদ্রের ঢেউ থেমে থাকে না। সচিন ছাড়া ক্রিকেট কিন্তু এগিয়ে চলেছে। অবাস্তব মনে হলেও আজ তরুণ প্রজন্মের ক্রিকেটাররা ভারতীয় ক্রিকেটের সম্মান উঁচুতে তুলে ধরেছেন। ২৪ বছরের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক সাফল্য পেয়েছেন। তাঁর ব্যাটের ওপর ভর করে ভারতীয় দল পেয়েছে অনেক গৌরব।

    দেশে ও বিদেশের মাঠে বারবার জ্বলে উঠেছে তাঁর ব্যাট। তবে সচিন তেন্ডুলকরের কাছে জীবনের সেরা মুহূর্ত হল ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয়। সেটা ফের একবার অকপটে স্বীকার করে নিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। ২০১১ সালের ২ এপ্রিল ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ হাতে তুলেছিল মহেন্দ্র সিংহ ধোনির দল। চলতি বছর আবার সেই বিশ্বকাপ জয়ের ১০ বছরের পূর্তি পালিত হচ্ছে। সেই বিশ্ব জয়ের প্রসঙ্গে সচিন বলেন, “ছোটবেলায় কপিল দেবের হাতে এই কাপ দেখার পর বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন তৈরি হয়। সেই স্বপ্ন নিয়ে ছোট থেকে প্রতিদিন বেড়ে উঠেছি। জীবনে অনেক বিশ্বকাপ খেলেছি। তবে শেষপর্যন্ত ঘরের মাঠে ২ এপ্রিলের রাতে সেই স্বপ্ন সফল হয়েছিল। নিজের দেশে তাও আবার ঘরের মাঠে এমন স্বপ্ন পূরণ কত জনের ভাগ্যে থাকে বলুন! তাই সেই রাতটা আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত।”

    ধোনির সেই বিশাল ছক্কার পর গোটা মাঠ জুড়ে হেঁটেছিল ভারতীয় দল। সচিনের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ বলে কথা। তাই তাঁকে কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন বিরাট কোহলি, ইউসুফ পাঠানরা। সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সচিন বেশ মজা করে বলেন, “ওদের আবদারে প্রথমে রাজি না হলেও পরে রাজি হয়ে যাই। দুজনের কাঁধে চেপে মাঠ ঘুরতে মজা লাগছিল। সমর্থকদের দিকে আমরা সবাই হাত নাড়াচ্ছিলাম। দারুণ অনুভূতি হচ্ছিল। আসলে মাঠে আমরা লড়াই করলেও সেই বিশ্বকাপ জয় শুধু আমাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই বিশ্বকাপ পুরো দেশের।”

    সচিন নিয়ে ভারতবাসীর আবেগ একটু অন্যরকম। তিনি ক্রিকেট মাঠে নামেন না বহুদিন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তাঁর স্বপ্নের ফেরিওয়ালা ইমেজ একটুও মলিন হয়নি।মাস্টার ব্লাস্টার জানাচ্ছেন এই মুহূর্তে ভারতীয় দলের খেলা দেখা তিনি উপভোগ করেন। তিনি আশাবাদী এই প্রজন্মের দল বিশ্বকাপ জিতবে।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published:

    Tags: 2011 World Cup, Sachin Tendulkar

    পরবর্তী খবর