• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • গ্র্যান্ডস্ল্যাম টেনিসেও এবার গড়াপেটার ছায়া !

গ্র্যান্ডস্ল্যাম টেনিসেও এবার গড়াপেটার ছায়া !

ম্যাচ ফিক্সিং এখন আর শুধু ক্রিকেটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই ৷ অন্যান্য খেলাধূলাতেও তা ভালোমতোই ছড়িয়ে পড়ছে ৷ এবার কলঙ্কিত টেনিস ! অন্তত দু’টি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী এমনটা বলা যেতেই পারে ৷

ম্যাচ ফিক্সিং এখন আর শুধু ক্রিকেটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই ৷ অন্যান্য খেলাধূলাতেও তা ভালোমতোই ছড়িয়ে পড়ছে ৷ এবার কলঙ্কিত টেনিস ! অন্তত দু’টি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী এমনটা বলা যেতেই পারে ৷

ম্যাচ ফিক্সিং এখন আর শুধু ক্রিকেটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই ৷ অন্যান্য খেলাধূলাতেও তা ভালোমতোই ছড়িয়ে পড়ছে ৷ এবার কলঙ্কিত টেনিস ! অন্তত দু’টি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী এমনটা বলা যেতেই পারে ৷

  • News18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #লন্ডন: ম্যাচ ফিক্সিং এখন আর শুধু ক্রিকেটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই ৷ অন্যান্য খেলাধূলাতেও তা ভালোমতোই ছড়িয়ে পড়ছে ৷ এবার কলঙ্কিত টেনিস ! অন্তত দু’টি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী এমনটা বলা যেতেই পারে ৷ গত এক দশকে টেনিসের বিশ্ব ক্রমতালিকায় প্রথম ৫০-এর মধ্যে ১৬ জন খেলোয়াড় ( যাঁদের মধ্যে গ্র্যান্ডস্ল্যাম-জয়ী খেলোয়াড়ও রয়েছেন), ম্যাচ ফিক্সিং-এ জড়িত বলে সন্দেহ করছে দু’টি সংবাদমাধ্যম। বিবিসি এবং বাজফিড নিউজের দাবি, তাদের হাতে বেশ কিছু গোপন তথ্যপ্রমাণ এসেছে। তাতে বিশ্ব টেনিসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দুর্নীতির সন্ধান তারা পেয়েছে।

    বিবিসি-র দাবি অনুযায়ী গত এক দশক ধরে বিশ্বের প্রথম ৫০ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ১৬ জনের উপর ক্রমাগত নজর রাখা হয়েছিল ৷ যাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে টেনিসে সর্বোচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে ৷ এদের উপর নজর রাখছিল টেনিস ইন্টিগ্রিটি ইউনিট বা টেনিসের দুর্নীতি-দমন শাখা ৷ বিবিসি-র আরও দাবি, ২০০৭ সালে এটিপি-র করা একটি তদন্তের সবিস্তার রিপোর্ট-সহ বহু তথ্যপ্রমাণই তাদের হাতে এসেছে। ওই তদন্তে নাকি রাশিয়া, ইতালি এবং সিসিলিতে বেটিং সিন্ডিকেট-এর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। এমনকী, ফিক্সিং হয়েছিল উইম্বলডন-এর তিনটি ম্যাচেও। ২০০৮ সালে গোপন রিপোর্টে গোয়েন্দারা বলেছিলেন, ২৮ জন খেলোয়াড়ের ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কিন্তু তার পরে এ নিয়ে আর এগিয়ে যাওয়া হয়নি। অন্যদিকে আরেক সংবাদসংস্থা বাজফিড-এর দাবি, ‘ বড় টুর্নামেন্টের সময়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে হোটেলে দেখা করত বুকিরা। ৫০ হাজার ডলার বা তার বেশি অর্থের বিনিময়ে ম্যাচ ফিক্সিং-এর অফার দেওয়া হত।

    যদিও এটিপি প্রধান ক্রিস কারমোড বলেছেন, ‘ আমরা কোনওভাবেই দুর্নীতিকে হালকাভাবে নিই না। ম্যাচ-ফিক্সিং-এর প্রমাণ লোপাট করা হয়েছে , এমন অভিযোগ আমরা খারিজ করছি। ’

    First published: