• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • MANOJ TIWARY WANTS TO PLAY FOR BENGAL IN RANJI TROPHY WITH ALL RESPONSIBILITIES SS

Manoj Tiwary: রাজ্যের মন্ত্রী ও বাংলার জার্সিতে রঞ্জি; ‘দিদির অনুমতি নিয়েছি, মানসিক দৃঢ়তা থাকলে দুটি কাজ একসঙ্গে করা যায়...’: মনোজ

Manoj Tiwary

Manoj Tiwary Wants to Play for Bengal in Ranji Trophy: রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাংলার হয়ে ব্যাট হাতে নামতে চান প্রাক্তন ভারতীয় তারকা।

  • Share this:

কলকাতা: কথায় বলে যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে। তা বলে মন্ত্রীত্ব সামলে বিসিসিআইয়ের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা কি সম্ভব? হ্যাঁ মানসিক দৃঢ়তা থাকলে সব সম্ভব বলছেন রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি। গতবছরও শুরুর দিকে চুটিয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। তবে মরশুমের শেষ দিকে চোট আর করোনার জেরে ক্রিকেট বন্ধ ছিল মনোজের। তারপরই রাজনীতিতে আগমন। শিবপুর থেকে ভোটে জিতে রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। অনেকেই মনে করেছিলেন এবার হয়তো ক্রিকেটকে গুডবাই জানাবেন মনোজ তিওয়ারি। তবে না এখনই অবসর নয়। ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যাবেন মনোজ তিওয়ারি।

রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাংলার হয়ে ব্যাট হাতে নামতে চান প্রাক্তন ভারতীয় তারকা। মরশুম শুরুর আগে বাংলা দলের ফিটনেস ক্যাম্পে রয়েছেন মনোজ। মন্ত্রী এবং ক্রিকেট দুটো একসঙ্গে চালানো কতটা কঠিন? এই নিয়ে নিউজ18 বাংলাকে একান্ত সাক্ষাৎকার দিলেন মনোজ তিওয়ারি। প্রাক্তন বঙ্গ অধিনায়ক জানান, "ক্রিকেটের জন্য যাবতীয় পরিচয়। ক্রিকেট এখনও উপভোগ করি তাই খেলব। দলের শীর্ষ নেতৃত্বে সঙ্গে কথা বলেছি তারাও আমাকে বাংলার হয়ে খেলা চালিয়ে যেতে পরামর্শ দিয়েছেন। রঞ্জিতে বাংলাকে চ্যাম্পিয়ন করানো আমার লক্ষ্য। নিয়মিত কসরত করি। মন্ত্রী হওয়ার পর খাওয়া-দাওয়া একটু বেড়ে গিয়েছিল। তবে তা কমিয়ে নিজেকে ফিট রাখছি। শুক্রবার থেকেই দলের সঙ্গে অনুশীলনের নেমে পড়বো।"

ক্রিকেট এবং মন্ত্রীত্ব সময় দেওয়া সম্ভব? প্রশ্ন শেষ করার আগেই মনোজ জানান, "মাইন্ডসেটটাই আসল। আমার দলে সহকর্মীরা রয়েছেন, তাঁরা বিধানসভার কাজ সামলাবেন। ক্রিকেটের সময় আমি ক্রিকেট নিয়ে ভাববো। ’’ এর আগে রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ছিলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। মন্ত্রী থাকাকালীন লক্ষ্মী দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব ক্রিকেট খেলেছিলেন। তবে পেশাদার সার্কিটে রঞ্জি ট্রফি খেলাটা কতটা কঠিন মন্ত্রীত্ব সামলানোর পাশাপাশি? লক্ষ্মী বলছেন, "মনোজ যদি পারে তাহলে সব সময় ওয়েলকাম। তবে দুটো ব্যালেন্স করাটাই সব থেকে কঠিন।"

মনোজের সুযোগ পাওয়া এবং ফিটনেস নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করেছেন। তবে নিন্দুকদের জবাব দিয়ে মনোজের দাবি, ‘‘যতই চাপ থাকুক ফিটনেস তৈরি রাখার ক্ষেত্রে অবহেলা হচ্ছে না। মাঠে নামলেই তার প্রমাণ পাওয়া যাবে।" তবে প্রশ্ন হচ্ছে, করোনার কারণে ক্রিকেটারদের সুরক্ষা কবচ হিসেবে তৈরি হওয়া জৈব সুরক্ষা বলয় বা বায়ো বাবলে প্রায় ছয় মাস থাকতে হবে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার জন্য। বছরের অর্ধেকটা সময় মন্ত্রী মনোজ পারবেন তো রাজনীতি থেকে একটু সরে ক্রিকেটকে ধ্যান-জ্ঞান করে চলতে? সময়েই এই প্রশ্নের উত্তর দেবে।

Eeron Roy Barman

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: