ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারত পারল না, কিন্তু ইতিহাসে থাকবে এই সফল রান চেজগুলি

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারত পারল না, কিন্তু ইতিহাসে থাকবে এই সফল রান চেজগুলি

look back at the highest successful run chases in test history

শেষ দিনে টেস্ট জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ৩৮১ রান৷ হাতে উইকেট ছিল ৯ টি৷ কিন্তু এই জায়গা থেকে ভারত আর নিজেদের টিকে ম্যাচ টানতে পারল না, ভারত এদিন ব্যর্থ হল ঠিকই৷ কিন্তু বাইশ গজের ইতিহাসে থেকে যাবে রান তাড়া করে জেতা এই অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্সগুলি৷

  • Share this:

#চেন্নাই: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পিছিয়ে পড়ল ভারত৷ প্রথম টেস্টে ২২৭ রানে হারল বিরাট কোহলি (Virat Kohli) অ্যান্ড কোং৷ পঞ্চম দিনে দলের হার ঠেকাতে অধিনায়ক কোহলি আর অশ্বিনকে (Ravichandran Ashwin) চেষ্টা করেছিলেন৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারলেন না৷

শেষ দিনে টেস্ট জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ৩৮১ রান৷ হাতে উইকেট ছিল ৯ টি৷ কিন্তু এই জায়গা থেকে ভারত আর নিজেদের টিকে ম্যাচ টানতে পারল না, ভারত এদিন ব্যর্থ হল ঠিকই৷ কিন্তু বাইশ গজের ইতিহাসে থেকে যাবে রান তাড়া করে জেতা এই অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্সগুলি৷

ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম অস্ট্রেলিয়া (West Indies vs Australia)

২০০৩ সাল। সেন্ট জনসে মুখোমুখি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও অস্ট্রেলিয়া। ৩-০ এগিয়ে রয়েছে স্টিভ ওয়ার (Steve Waugh) নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া দল। শেষ ম্যাচ জেতার জন্য ৪১৮ রান করতে হত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। শুরুটা করেন ব্রায়ান লারা (Brian Lara)। ৬০ রানের ইনিংস খেলেন। এর পর রামনরেশ সারওয়ান (Ramnaresh Sarwan) ও শিবনারিন চন্দ্রপল (Shivnarine Chanderpaul) দু'জনেই সেঞ্চুরি করেন। শেষমেশ ম্যাচটি জিতে নেয় ক্যারিবিয়ানরা।

দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম অস্ট্রেলিয়া (South Africa vs Australia)

২০০৮ সাল। পার্থে দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ। ৪১৪ রানের লক্ষ্যমাত্রা। প্রোটিয়াদের সেই লড়াই আজও ভোল যায় না। শুরুতেই গ্রেম স্মিথ (Graeme Smith) সেঞ্চুরি করেন । পরে হাসিম আমলা (Hashim Amla) ও জ্যাক ক্যালিসের (Jacques Kallis) ব্যাট থেকে হাফ সেঞ্চুরি আসে। এর পর ১০৬ রানের দারুণ ইনিংস খেলে জয় ছিনিয়ে নেন ডেভিলিয়ার্স। ডেভিলিয়ার্স যখন ক্রিজে নামেন তখনও ২৩৫ রান দরকার ছিল। কিন্তু হার মানেনি প্রোটিয়ারা।

ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (India vs West Indies)

১৯৭৬ সাল। পোর্ট অফ স্পেনে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। সেবার ৪০৬ রান তাড়া করতে নামে ভারতীয়রা। আর চার উইকেটেই রান তুলে নেয় ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। সেই ম্যাচে সুনীল গাভাসকার (Sunil Gavaskar) ১০২ রান ও গুণ্ডাপ্পা বিশ্বনাথ (Gundappa Viswanath) ১১২ রান করেন। আর দু'জনের সেঞ্চুরির সুবাদে সিরিজে সমতা ফেরায় ভারত। পরের ২৭ বছর পর্যন্ত হাইয়েস্ট রান চেজের তালিকায় ছিল এটি।

অস্ট্রেলিয়া বনাম ইংল্যান্ড (Australia vs England)

১৯৪৮ সাল। লিডসে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড টেস্ট। ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান বলা হয় তাঁকে। সেই ডন ব্র্যাডমান (Don Bradman) এক অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন এই ম্যাচে। ইংল্যান্ডকে হারাতে হলে ছুঁতে হবে ৪০৪ রানের লক্ষ্যমাত্রা। ব্র্যাডম্যানের ১৭৩ রানের অনবদ্য ইনিংসের জেরে অ্যাসেজ সিরিজে ৩-০ এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় উইকেটে ব্র্যাডম্যান ও আর্থার মরিস (Arthur Morris) ৩০১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। আর্থার মরিসও ১৮২ রান করেছিলেন। শেষমেশ ম্যাচটি জিতে যায় অস্ট্রেলিয়া।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম বাংলাদেশ (West Indies vs Bangladesh)

সম্প্রতি, চট্টগ্রামের মাটিতে রেকর্ড গড়লেন কাইল মায়ার্স (Kyle Mayers)। ৩৯৫ রান তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৯ রানে তিন উইকেট পড়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের। কিন্তু এর পর যা হয়েছে, তা অবিশ্বাস্য। ক্যারিবিয়ানদের চট্টগ্রাম টেস্ট জয়ের নেপথ্যের কারিগর হয়ে উঠলেন ২৮ বছর বয়সের এই ক্রিকেটার। ডেবিউ টেস্টেই অনবদ্য ২১০ রানের ইনিংস এল মায়ার্সের ব্যাট থেকে। তিনটি উইকেট পড়ে যাওয়ার পর চার নম্বর উইকেটে ২১৬ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ওঠে। আর ম্যাচটি বাংলাদেশের থেকে ছিনিয়ে নেয় মায়ার্সরা। উল্লেখ্য, টেস্ট ডেবিউ ম্যাচে এ নিয়ে ষষ্ঠ প্লেয়ার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন মায়ার্স!

Published by:Subhapam Saha
First published:

লেটেস্ট খবর