'বড়ে দিলওয়ালে '! করোনা যুদ্ধে কী সিদ্ধান্ত ইরফানের ? জানুন

মানবিক ইরফান, সোশ্যাল মিডিয়ায় অর্জিত অর্থ দেবেন রিলিফ ফান্ডে

ইরফান, তার ভাই ইউসুফ পাঠান এবং তার পরিবার গতবছর লকডাউন থেকেই মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। প্রায় নব্বই হাজার পরিবারকে রেশন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। দুই ভাই মিলে নিজেরা তদারকি করেছিলেন। এখন ইরফান তাঁর আয়ের একটি বড় অংশ ব্যক্তিগতভাবে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন

  • Share this:

    #মুম্বই: যখন ক্রিকেট খেলতেন অনেক কঠিন সময় ভারতকে ভরসা দিয়েছেন বল এবং ব্যাট হাতে। যেকোনও ভূমিকাতে লড়ে যেতেন ইরফান পাঠান। সেই লড়াকু মানসিকতা এখনও বজায় রয়েছে তাঁর। বরাবর মানুষের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর এত গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠিন সময়ে তিনি চুপচাপ বসে থাকবেন তা কী করে সম্ভব ? করোনা ভাইরাস নিয়ে লড়াই করে দেশকে সহায়তা করতে বিভিন্ন হাত এগিয়ে আসছে। প্রত্যেকে তাঁদের পক্ষে যথাসম্ভব সহায়তা করছে। ভারতীয় ক্রীড়াজগতের সঙ্গে যুক্ত তারকারা তাঁদের পক্ষে ত্রাণ দেওয়ার জন্যও চেষ্টা করেছেন।

    ভারতীয় ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক বিরাট কোহলি সহ টিম ইন্ডিয়ার অনেক খেলোয়াড় বিভিন্ন উপায়ে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। আরও একটি নাম রয়েছে যা নিয়মিতভাবে অভাবীদের সাহায্য করার জন্য নিযুক্ত থাকে। এটি হলেন প্রাক্তন অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান। ইরফান, তার ভাই ইউসুফ পাঠান এবং তার পরিবার গতবছর লকডাউন থেকেই মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। প্রায় নব্বই হাজার পরিবারকে রেশন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। দুই ভাই মিলে নিজেরা তদারকি করেছিলেন।

    এখন ইরফান তাঁর আয়ের একটি বড় অংশ ব্যক্তিগতভাবে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইরফান সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব বিখ্যাত এবং এখানে তাঁর প্রচুর ফ্যান ফলোয়ার রয়েছেন। এই কারণে তিনি প্রায়শই এই প্ল্যাটফর্মগুলিতে বিভিন্ন পণ্য প্রচারের সঙ্গে যুক্ত হন। ফলে মোটা টাকা রোজগার করেন। ইরফান স্থির করেছেন যে বর্তমান পরিস্থিতিতে সহায়তার জন্য তিনি এই উপার্জনটি দান করবেন।

    ইরফান তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে লিখেছেন যে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে প্রাপ্ত উপার্জনটি কেবল সামাজিক কাজে ব্যবহৃত হবে। আসলে ছোটবেলা থেকে দুজনেই লড়াই করে বড় হয়েছেন। ফলে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থা কতটা করুণ হতে পারে, ভালই জানেন দুজনে। সেই মতো সাহায্যের চেষ্টা করে যাচ্ছেন পাঠান ভাইয়েরা।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: