পাঁচবার আম্পায়ারদের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছেন ধোনি, জানেন কোন ম্যাচগুলিতে?

পাঁচবার আম্পায়ারদের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছেন ধোনি, জানেন কোন ম্যাচগুলিতে?

মাঠের মধ্যে শান্ত থাকা ও ধৈর্য বজায় রাখার জন্য অতি পরিচিত হলেও বেশ কয়েকটি ম্যাচে আম্পায়ারদের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছেন ক্যাপ্টেন কুল মহেন্দ্র সিং ধোনি।

মাঠের মধ্যে শান্ত থাকা ও ধৈর্য বজায় রাখার জন্য অতি পরিচিত হলেও বেশ কয়েকটি ম্যাচে আম্পায়ারদের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছেন ক্যাপ্টেন কুল মহেন্দ্র সিং ধোনি।

  • Share this:

দিন কয়েক আগে চেন্নাই-রাজস্থান ম্যাচে মাথা গরম করতে দেখা যায় তাঁকে। ওয়াইড বল দেওয়ার জন্য আম্পায়ার পল রেইফেলের দিকে তাঁর রেগে তাকানো ইতিমধ্যেই ক্রিকেটমহলের একাংশে বিতর্ক তৈরি করেছে। তবে এটাই প্রথমবার নয়, মাঠের মধ্যে শান্ত থাকা ও ধৈর্য বজায় রাখার জন্য অতি পরিচিত হলেও বেশ কয়েকটি ম্যাচে আম্পায়ারদের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছেন ক্যাপ্টেন কুল মহেন্দ্র সিং ধোনি। আসুন দেখে নেওয়া কোন ম্যাচগুলিতে এই রকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

২০২০ IPL চেন্নাই-রাজস্থান ম্যাচ এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করছিল রাজস্থান রয়্যালস। ১৮ নম্বর ওভারে টম কারানকে আউট দেওয়া হয়। ক্যাচটি ধরেন উইকেট কিপার ধোনি। রিপ্লেতে দেখা যায়, ব্যাটে-বলে কোনও যোগাযোগ হয়নি। পাশাপাশি ধোনির গ্লাভসে যাওয়ার আগে মাটি ছুঁয়ে যায় বল। কিন্তু রিভিউ ছিল না কারানের কাছে। এর পর টিভি আম্পায়ার কারানকে নট আউট দেন। এই পুরো বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ফিল্ড আম্পায়ারদের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন ধোনি। তাঁর বক্তব্য ছিল, যদি রিভিউ না থাকে, তা হলে টিভি আম্পায়ারদের সঙ্গে কেন পরামর্শ করা হল!

২০১৯ IPL চেন্নাই-রাজস্থান ম্যাচ সে বার রাজস্থানের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসের শেষের দিকে প্রাণপণ চেষ্টা করছিল চেন্নাই সুপার কিংস। তিন বলে তখন আট রান বাকি ছিল। মিশেল স্যান্টনারকে একটি ফুলটকস বল করেন রাজস্থান রয়্যালসের বেন স্টোকস। তবে এটি স্যান্টনারের ওয়েস্ট লেনথের উপরে ছিল। CSK ভেবেছিল অন ফিল্ড লেগ আম্পায়ার ব্রুস ওক্সেনফোর্ড নো বল ডাকবেন। কিন্তু নো বল দেননি আম্পায়ার। এর পরই আম্পায়ারের দিকে এগিয়ে এসে বচসায় জড়িয়ে পড়েন ধোনি।

২০১৫ ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১ এগিয়ে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তাই ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল ভারতের কাছে। এই ওয়ানডের আগে আম্পায়ার বিনীত কুলকার্নির খারাপ আম্পায়ারিংয়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনেছিল ভারতীয় দল। তখন হরভজন সিংয়ের ওভার চলছিল। ফারহান বেহারডিন কট বিহাইন্ড হয়ে যান। হরভজন সিং সে ভাবে আবেদন না করলেও, জোরালো আবেদন করেন ধোনি। আর বিনীত কুলকার্নি আউট দিয়ে দেন। শোনা যায়, ধোনির আবেদন আর ক্রমাগত অভিযোগের জেরেই আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার বিনীত।

ভারত-অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ ২০১৩ অস্ট্রেলিয়ার ভারত সফর। তৃতীয় ওয়ান ডে ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ব্যাট করছিল। ৪১ নম্বর ওভার। বল করছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সেই সময় ওভারের লাস্ট বলটিকে ওয়াইড বল হিসেবে জানান শামসুদ্দিন। কিন্তু আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে একমত ছিলেন না ধোনি। শোনা যায়, ভারত অধিনায়কের হতাশা দেখে পরে নিজের সিদ্ধান্ত বদলে দেন শামসুদ্দিন।

CB সিরিজ ২০১২ ভারত-অস্ট্রেলিয়ার ওয়ান ডে ম্যাচ। স্ট্রাইকে ছিলেন মাইকেল হাসি। বল করছিলেন সুরেশ রায়না। স্টাম্পিংয়ের জন্য আবেদন করেন ধোনি। এ বার অন ফিল্ড আম্পায়ার থার্ড আম্পায়ারকে রেফার করেন। থার্ড আম্পায়ার আউড দিয়ে দেন। কিন্তু ধোনির স্টাম্পিংয়ের আগেই ক্রিজে ঢুকে যান হাসি। তাই আসলে আউট ছিল না। আর বিষয়টি টের পান ফিল্ড আম্পায়ার বিলি বাওডেন। ভুল বুঝতে পেরে হাসিকে ফিরে আসতে বলেন। এর পরই ধোনির সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন বিলি বাওডেন।

Published by:Elina Datta
First published: