৮৫ বছরের ইডেনের মুকুটে নয়া পালক, প্রথম দিনরাতের টেস্ট ক্রিকেটের নন্দনকাননেই

এক কথায় অসাধারণ। সব ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এটা দারুণ খবর। ইডেনের মুকুটে এই ঘটনা নতুন পালক।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Oct 30, 2019 10:08 PM IST
৮৫ বছরের ইডেনের মুকুটে নয়া পালক, প্রথম দিনরাতের টেস্ট ক্রিকেটের নন্দনকাননেই
File Photo
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Oct 30, 2019 10:08 PM IST

#কলকাতা: অশীতিপর ইডেন এবার রঙিন। ৮৫ বছরের এই স্টেডিয়ামের গায়ে এবার গোলাপি আভা। ২২ নভেম্বর ইতিহাসের মাঠে ভারতীয় ক্রিকেটের নয়া দৌড়। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম দিনরাতের টেস্টে টস করতে নামবেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

ছবিটা ২০১৫ সালে। সিএবির মসনদে বসার পর ইডেনের মুকুটে নতুন পালক সংযোজন করেছিলেন মহারাজ। তাঁর উদ্যোগেই সিএবির সুপারলিগে প্রথমবার গোলাপি বলে ফাইনাল খেলেছিল মোহনবাগান ও কালীঘাট। চারবছর পর এবার আন্তর্জাতিক ভাবে স্বপ্ন সফল ইডেনের। বিসিবি সবুজ সংকেত দিতেই তৎপরতা শুরু সিএবির।

এক কথায় অসাধারণ। সব ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এটা দারুণ খবর। ইডেনের মুকুটে এই ঘটনা নতুন পালক। প্রতিক্রিয়ায় জানালেন সিএবি সচিব অভিষেক ডালমিয়া। দু'দুবার সংস্কারের প্রলেপ গায়ে লেগেছে। ২০১১ বিশ্বকাপের পর এখন ৬৮ হাজারি ইডেন।

অপেক্ষার ৮৫ বছর শেষ হচ্ছে ২২ নভেম্বর। রঙিন হচ্ছে ক্রিকেটের নন্দনকানন। ১৯৩৪ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমবার এই মাঠে টেস্ট খেলেছিল সিকে নাইডুর ভারত। ১৯৮৭ সালে এই মাঠে উপমহাদেশের মাটিতে প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনাল। ওই বছর প্রথম একদিনের ম্যাচে প্রতিপক্ষ ভারত-পাকিস্তান। নির্বাসন কাটিয়ে এই মাঠেই প্রথম ম্যাচ খেলেছিল ক্লাইভ রাইসের দক্ষিণ আফ্রিকা। সালটা ১৯৯১। হিরোকাপে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ সাক্ষী প্রথম দিনরাতের একদিনের ম্যাচের। ২০০১ সালে সৌরভেই এই ইডেনে থামিয়ে ছিলেন স্টিভ ও'র অস্ট্রেলিয়াকে। একদিকে ভেরি ভেরি স্পেশাল লক্ষ্মণ। আর অন্যদিকে টেস্টে প্রথম ভারতীয় বোলার হিসেবে হরভজনের হ্যাটট্রিক। ২০১৩ সালে অবসরের আগে সচিনের ১৯২ তম টেস্ট। এক বছর পর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে রো-হিট। কলকাতা দেখল ২৬৪ রানের ব্যাটিং বিক্রম। ২০১১ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একদিনে দুটি ফাইনাল। ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস। লর্ডসের মতোই ২০১৬ সালে বসল ঐতিহাসিক ঘণ্টা। সম্ভবত এসজি বলেই প্রথম দিনরাতের টেস্ট।

First published: 10:06:52 PM Oct 30, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर