ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারীর দৌড়ে কারা? আলোচনায় ইতালির বহুজাতিক সংস্থা !

ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারীর দৌড়ে কারা? আলোচনায় ইতালির বহুজাতিক সংস্থা !

সুপার লিগে খেলার তোড়জোড় শুরু ইস্টবেঙ্গলে। খোঁজ চলছে উপযুক্ত বিনিয়োগকারীর।

  • Share this:

#কলকাতা: মোহনবাগান লকগেট খুলে ফেলেছে। ইস্টবেঙ্গল কী পারবে সুপার লিগের ডেডলক ভাঙতে? ভারতীয় ফুটবলে সব থেকে চর্চিত বিষয় এখন এটাই। ক্লাবের বিনিয়োগকারী ইস্যুতে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের আগ্রহ থাকবে জানা কথা। থেমে নেই মোহনবাগান সমর্থকরাও। পড়শি ক্লাবের হাঁড়ির হালের খবর রাখছে সবুজ-মেরুনও। একাধিক সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। যার অধিকাংশই ভিত্তিহীন। লক্ষ লক্ষ ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের কথা ভেবেই ক্লাবের বিনিয়োগকারী ইস্যুতে আলোকপাত নিউজ এইট্টিন বাংলার।

আমাদের  খবর, সুপার লিগে খেলার তোড়জোড় শুরু ইস্টবেঙ্গলে। খোঁজ চলছে উপযুক্ত বিনিয়োগকারীর। কোয়েসের সঙ্গে চুক্তি-সম্পর্কে হাত পোড়ার পর বিনিয়োগকারী ইস্যুতে এখন অতি সতর্ক ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। দেশের পাশাপাশি বিদেশেরও কয়েকটি বাণিজ্যিক সংস্থার সঙ্গে কথা চালাচালি চলছে। তবে সবটাই এখনও প্রাথমিক স্তরে। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা নিজেদের মধ্যে বৈঠকে ৩১ মার্চের ডেটলাইন স্থির করেছেন। অর্থাৎ আগামী মাসের ৩১ মার্চের মধ্যেই বিনিয়োগকারী সংক্রান্ত জাল গুটিয়ে আনার ইঙ্গিত। তবে সেটা এখনই সম্ভব কী না, তা বলার সময় আসেনি। প্রায় ছয়-সাতটি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনার মধ্যে দু-তিনটি নিয়ে লাল-হলুদ কর্তারা বেশ আশাবাদী। আলোচনা চলছে ইতালির একটি আন্তজার্তিক ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে।

ইতালির বিখ্যাত স্পোর্টস ব্র্যান্ড বলতে মাথায় আসে ‘লোটো’ ও ‘ম্যাকরন’-র নাম। এর বাইরেও রয়েছে ‘কাপ্পা’,‘দিয়াদোরা’-র মতো বেশ কিছু নামজাদা ব্র্যান্ড। ক্লাবের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে বহুজাতিক সেই স্পোর্টস ব্র্যান্ডের নাম এখনই প্রকাশ্যে আনছি না আমরা। তবে সদস্য-সমর্থকদের পক্ষে আশার খবর কলকাতাতেই ইতালির সেই স্পোর্টস ব্র্যান্ডের ম্যানেজমেন্টের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকে বসেছেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। এখনও অবধি আলোচনা ফলপ্রসূ।আইএসএলে খেলার বিষয়ে আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছে ভারতের একটি বহু বিখ্যাত এফএমসিজি (ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুডস) সংস্থার সঙ্গেও। মন্ত্রগুপ্তির কারণে সেই এফএমসিজি সংস্থারও নাম উল্লেখ করছি না আমরা। তবে সেই সংস্থা ইউনিলিভার নয়। সেটা নিশ্চিত করেই জানাচ্ছে নিউজ এইট্টিন বাংলা।প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে, একটি মূল স্পনসরের পাশে কয়েকটি সহযোগী স্পনসর জোগাড় করে আইএসএলে খেলার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করবে ক্লাব। তবে আপাতত ক্লাবকর্তারা ব্যস্ত সেই মূল স্পনসরের খোঁজে। বিনিয়োগে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে প্রথম শর্তই থাকছে ৫০:৫০ শেয়ার অধিগ্রহণ। বিনিয়োগকারীরা সেই শর্তে রাজি হলে তবেই আলোচনার টেবিলে বসছেন দেবব্রত সরকাররা। তবে এটিকে-মোহনবাগান চুক্তির পর বিনিয়োগকারী সংস্থাকে ৫০:৫০ মালিকানায় রাজি করানো কঠিন বলে মেনে নিচ্ছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এএফসি-র রোডম্যাপে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে আইএসএল খেলার প্রভিশন থাকলেও সেই রাস্তায় ইস্টবেঙ্গল হাঁটবে না বলেই ক্লাবসূত্রে খবর। বরং ৩১ মার্চ সময়সীমা চূড়ান্ত করে বিনিয়োগকারী এনে সরাসরি সুপার লিগ খেলাটাই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। দেখার এখন, শতবর্ষে কোথাকার জল কোথায় দাঁড়ায়!

PARADIP GHOSH

First published: February 27, 2020, 10:02 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर