ফুটবলেই শাপমোচন, নতুন আলোর পথযাত্রী বিশেষভাবে সক্ষম শিশু

ফুটবলেই শাপমোচন, নতুন আলোর পথযাত্রী বিশেষভাবে সক্ষম শিশু

  • Share this:

    #চন্দননগর : হঠাৎই শারীরিক বৃদ্ধি ছোট্ট শিশুটির অন্যপথে বইতে শুরু করেছিল৷ ভয় পেয়ে গিয়েছিল পরিবার ৷ তারপর মিরাকেল ৷

    ফুটবলেই নবজন্ম। জন্ম থেকেই বাবা-মায়ের ঘুম কেড়েছিল চন্দননগরেরসাগ্নিক।দৃষ্টিশক্তি কমজোরি..হাতে-পায়ে জোর নেই...শরীরটাও একটু বাঁকা। ডাক্তার বদ্যি করেও লাভ হয়নি। শেষে ফুটবল পাগল ছেলের শাপমুক্তি ঘটল ফুটবল মাঠেই।

    জন্ম থেকেই চোখে ভালো দেখতে পেত না চন্দননগরের সাগ্নিক সানা। ক্রমেই বেঁকে যাচ্ছিল ছোট্ট শরীরটা। জোর ছিল না হাতে,পায়ে। ঘাড়ও সোজা নয় এমনকি কথাবার্তাও স্পষ্ট ছিল না। চিন্তায় বাবা মায়ের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছিল। আশা দিতে পারেননি চিকিৎসকেরাও।

    দৃষ্টি ঠিক করতে লাইট থেরাপির নিদান দেন হায়দরাবাদের চিকিৎসকেরা। সেই সঙ্গে ফুটবল পাগল ছেলেকে মাঠে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেন। জন্ম থেকে আশপাশের পৃথিবী রঙহীন হলেও, ফুটবল চিনতে দেরি হয়নি ছোট্ট ছেলের।। ইস্টবেঙ্গলকর্তা দেবব্রত সরকারের সাহায্যে সাগ্নিককে ভরতি করানো হয় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ফুটবল স্কুলেআজ থেকে সাড়ে তিন বছর আগে ৷

    আরও পড়ুন - ‘নরেন্দ্র মোদির গদি থাকলে হয়, তারপর দেবেন, ’শস্য বিমা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মমতা বন্দোপাধ্যায়

    এখন বয়স ৯ স্ট্রাইকার হতে চায় সাগ্নিক। বল নিয়ে এখন তার অনায়াস জাগলিং, ব্যালেন্সিং, ড্রিবলিং। সহ খেলোয়ারদের সঙ্গেও সহজ মেলামেশা ।ব্রাজিলের নেইমারের মত মাঠ দাপাতে চায় চন্দননগরের সাগ্নিক। ফুটবল থেরাপিতে সাগ্নিক এখন অনেকটাই সুস্থ। স্বস্তিতে পরিবার।

    ডাক্তারি পরিভাষা যাই বলুক না কেন...ফুটবলই যে ছেলেকে সুস্থ করে তুলছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত সাগ্নিকের বাবা-মা। আর সাগ্নিকের ইচ্ছেডানায় ভর করে তার উড়ান তো সবে শুরু ৷

    First published:

    লেটেস্ট খবর