পিছিয়ে পড়ে ড্র ! ৯ জনের গোকুলামের বিরুদ্ধেও ব্যর্থ ইস্টবেঙ্গল !

পিছিয়ে পড়ে ড্র ! ৯ জনের গোকুলামের বিরুদ্ধেও ব্যর্থ ইস্টবেঙ্গল !

এই খারাপের শেষ কোথায়? চলতে থাকা ব্যাডপ্যাচ কবে শেষ হবে? শতবর্ষের লাল-হলুদ জুড়ে এখন একটাই আকুতি।

  • Share this:

#কোঝিকোড় : গোকুলাম (১) -- ইস্টবেঙ্গল (১) এই খারাপের শেষ কোথায়? চলতে থাকা ব্যাডপ্যাচ কবে শেষ হবে? শতবর্ষের লাল-হলুদ জুড়ে এখন একটাই আকুতি। ব‍্যাডপ‍্যাচ ছাড়া কী বা বলবেন! ইস্টবেঙ্গলের মত ঐতিহ্যশালী ক্লাব আই লিগে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। পয়েন্ট খোয়ানো এখন এই দলের স্বাভাবিক, সহজাত বৈশিষ্ট্য। জয়  আসে কদাচিৎ। এক-আধ দিন। ইস্টবেঙ্গলের মত ক্লাবে কী এটাই কাম্য? প্রশ্নটা শুধু লাল-হলুদ জনতার নয়। প্রশ্নটা আম ফুটবল অনুরাগীর। কোঝিকোড়ে গোকুলাম ম‍্যাচ থেকেও কুড়িয়ে বাড়িয়ে এল ১ পয়েন্ট।

হ্যাঁ, কুড়িয়ে বাড়িয়ে  বলাটাই যথাযথ। ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিট দেখলে তো রীতিমত ঠকঠকিনি শুরু হয়ে যায়। চোখে তুলসী পাতা পড়ে যাওয়ার জোগাড়। স্টপার সমস্যা ছিলই। ম্যাচের শুরুতে হাঁটুতে চোট পেয়ে গুরবিন্দর মাঠ ছাড়ার পর কাশিম আইদারা-কে মাঝমাঠ থেকে সরিয়ে ডিফেন্সে এনে গোলমুখ আটকাতে হচ্ছে। কিসেকারা তখন যেন বুলডোজার হয়ে পিষে দিচ্ছে লাল-হলুদ রক্ষণকে। বল পোস্টে লাগছে। বক্সের মধ্যে মার্কাস, কিসেকার শট ভিড়ের মধ্যে গায়ে গায়ে লেগে ফিরছে। কপাল সাথ না দিলে ওই সময় তিন গোলে পিছিয়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল। জুয়ান মেরা, হাইমে কোলাডো এবং অধুনা ভিক্টর পেরেজ ছড়া এই দলটাই কিস‍্যু নেই।  কোলাডো কবে খেলার ইচ্ছে হবে আর কবে ইচ্ছে হবে না, কেউ বলতে পারে না। জুয়ান এক একটা সময় দুরন্ত। আবার এক একটা সময় ম্যাচ থেকে হারিয়ে যান। একা পেরেজ আর কত করবেন! ৯ মিনিটে মার্কাহসের গোলে পিছিয়ে পড়েও ২৪ মিনিটে এইভাবেই পেরেজের পেনাল্টি গোলে ম্যাচে ফেরে ইস্টবেঙ্গল। স্কোরলাইন গোকুলাম ১, ইস্টবেঙ্গল ১।

কিন্তু ওই যে! জুয়ানের দৌড় থেমে গেলে লাল-হলুদও ফ্যাকাসে। ৪৯ মিনিটে লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে গেলেন গোকুলামের নওচা সিং। তাতেও শ্রী ফিরল না লাল-হলুদে। খেলার ধরন-ধারণ দেখে মনে হচ্ছিল, গোকুলাম নয়, ১০ জনে খেলছে ইস্টবেঙ্গল। অতিরিক্ত সময় ফকরুদ্দিন লাল কার্ড দেখায় ৯ জন হয়ে গেল গোকুলাম। কিন্তু দিনটা আজ ইস্টবেঙ্গলের ছিলই না। প্রতিপক্ষ ম্যাচ শেষ করছে ৯ জনে। আর তাতেও গোলের মুখ খুলতে ব্যর্থ মার্কোস, ক্রোমার গুণধর বিদেশীরা। যতক্ষণ ছিলেন কুটোটি নাড়তে পারেন নি। কিন্তু রিজার্ভ বেঞ্চে বসে লাইন্সম্যানের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে হলুদ কার্ড দেখলেন আলেজন্দ্রোর নয়নের মনি মার্কোস। দেখে শুনে স্পেন থেকে চার খান রত্ন এনে দিয়েছেন বটে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন বস। গতিবিধি যা, জানি অ্যাকোস্টা রক্ষাকর্তা হয়ে না দাঁড়ালে ১৫-র বড় ম্যাচে অশেষ দুঃখ অপেক্ষা করে আছে শতবর্ষে। লাল-হলুদ ও মারিওর শেষ বাজি এখন জনি।

PARADIP GHOSH

First published: March 3, 2020, 11:22 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर