corona virus btn
corona virus btn
Loading

জুটির দৌড় অব্যাহত, কোভিড আবহে মানুষের পাশে মানস-বিদেশ

জুটির দৌড় অব্যাহত, কোভিড আবহে মানুষের পাশে মানস-বিদেশ

মাঠের বাইরে আজও জুটি ভাঙেনি মানস ভট্টাচার্য ও বিদেশ বসুর। ময়দানের বাইরেও দুই বন্ধুর একসঙ্গে পথ চলা।

  • Share this:

#কলকাতা: সেই ফুটবলের দিনগুলি থেকেই মানুষের পাশে থাকাটা নেশা। ফুটবল ছাড়ার পর ধারাভাষ্য আর অন্যান্য কাজের ফাঁকেই তাই খুলে ফেলেছিলেন রেফিউজি হ্যান্ডিক্রাফটস নামে একটি দেশীয় সংস্থা। খেলার দিন গুলোর মতই এখনও একসঙ্গে ওরা। মাঠের বাইরে আজও জুটি ভাঙেনি মানস ভট্টাচার্য ও বিদেশ বসুর। ময়দানের বাইরেও দুই বন্ধুর একসঙ্গে পথ চলা।

কোভিড আবহে থমকে থাকা জীবনেও পথ চলা থামেনি ওদের। বদলায়নি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পুরনো অভ্যাসটা। রবিবারই বীরভূমের বল্লভপুর এলাকায় ছয়টি গ্রামে পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন প্রাক্তন ফুটবলার মানস ভট্টাচার্য ও বিদেশ বসু। বল্লভপুরের গোপালনগর, কামারপাড়া, বেলডাঙ্গার মানুষদের হাতে সংস্থার পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হল শাড়ি, জামা-কাপড়, শীতবস্ত্র।

মা আসছেন। বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ দুর্গোৎসব কড়া নাড়ছে দরজায়। কিন্তু কোভিড আবহে এবার অনেক পরিবারেই পুজোর গন্ধ পৌঁছবে না। সেই সব মানুষদের কথা মাথায় রেখেই মানস, বিদেশদের এই পদক্ষেপ। এলাকার শিশু-কিশোরদের খেলার জন্য সংস্থার পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় এক ডজন ফুটবল।

প্রাক্তন ফুটবলার মানস ভট্টাচার্য বলেন, "খেলার সময়ে তো বটেই। প্রাক্তন হওয়ার পরেও মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি অকাতরে। এই মানুষগুলো না থাকলে হয়তো আমাদের কেউ চিনতই না। তাই করোনা আবহে সাধ্যমত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।" সতীর্থ বিদেশ বসু বলেন, "লক-ডাউন পর্বে খেলা-ধুলা শিকেয় উঠেছিল। এখন আবার করোনা ধাক্কা কাটিয়ে ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরার চেষ্টা চলছে। অল্প বয়সীদের হাতে ফুটবল তুলে দিয়ে তাদের উৎসাহ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। প্রতিশ্রুতিমান কেউ থাকলে কলকাতায় ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানে খেলার ব্যবস্থা করে দেব।"

ফুটবল মাঠে দেশের জার্সিতে মানস, বিদেশের অবদান রেখেছে ময়দান। কিন্তু খেলার মাঠের বাইরেও এই জুটির মানবিক ভূমিকা সত্যিই দাগ কেটে যায় মনে।

PARADIP GHOSH 

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: September 21, 2020, 10:37 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर