প্লাজায় কাঁপুনি! কোচের দল গঠনে হতাশ ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা

প্লাজায় কাঁপুনি! কোচের দল গঠনে হতাশ ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা
ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে গোল করে চার্চিলের উচ্ছ্বাস

মারিওর দলগঠনে হতাশ লাল-হলুদ শীর্ষকর্তা। অবিশ্বাস্য সুযোগ নষ্টে ভিলেন ক্রোমা। ফিরতি ডার্বি নিয়ে চিন্তায় থিঙ্কট্যাঙ্ক।

  • Share this:

#কলকাতা: ইস্টবেঙ্গল (১) - চার্চিল (১)

চার্চিল ম্যাচ শেষে যুবভারতীর টানেল দিয়ে বেরিয়ে আসছিলেন শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। সঙ্গে লাল-হলুদ ক্লাব রাজনীতিতে অধুনা শীর্ষকর্তার বিশ্বাসভাজন সৈকত গঙ্গোপাধ্যায়। ভেঙে পড়া বডি ল্যাঙ্গোয়েজ। রাখঢাক না রেখেই শীর্ষকর্তার স্বীকারোক্তি, ‘‘দল নির্বাচনটা ঠিকঠাক হয়নি। প্রথম এগারো বাছায় গলদ ছিল।’’

মেঠো রাজনীতিতে পোড় খাওয়া নীতুদা যেন লক্ষ লাল-হলুদ সমর্থকদের মনের কথাটা বলে গেলেন যুবভারতীর টানেলে দাঁড়িয়ে। পালটা প্রশ্নটা ঠোঁটের গোড়ায় এসেও আটকে গেল। ‘‘হাতের কাছে তো করিম বেঞ্চারিফার মতো অপশন ছিল। তাহলে ট্রান্সলেটর কাম ভিডিও অ্যানালিস্টকে কোচ করে আনল কারা? কেনই বা আনল?’’কিন্তু ওই যে বলে, মরার ওপর খাঁড়ার ঘা দিয়ে কী লাভ! এই ইস্টবেঙ্গল তো রীতিমতো অচেনা। জোশ, জিগর কোনটাই নেই। একটা নখদাঁতহীন অ্যারোজ বা ধুঁকতে থাকা ট্রাউ ম্যাচ জেতা দিয়ে মাপা যায় না দলের সাফল্যের মাপকাঠি।

শনিবারের যুবভারতীতে আনফিট প্লাজাই কাঁপুনি ধরিয়ে দিয়ে গেলেন মারিও রিভেরার ডিফেন্সে। সামনে এখনও গোকুলামের মার্কাস জোসেফ, রিয়াল কাশ্মীরের রবার্টসনদের সামলানো বাকি। আর ১৫ মার্চের কথা ধরলে তো এখনই ঠকঠকিয়ে জ্বর আসার জোগাড়। সেদিন তো আবার যুবভারতীতে বেইতিয়া, পাপা, গঞ্জালেজদের সামলাতে হবে। কী হবে কে জানে! সোমবার সকালে শহরে পৌঁছচ্ছেন জনি অ্যাকোস্টা। দুশো খারাপের মধ্যে এই একটাই যা ভাল খবর লাল-হলুদ সমর্থকদের জন্য।

পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে কোলাডোর গোলে কোনমতে এক পয়েন্ট নিয়ে এদিনের মতো মান বাঁচানো গেল। কিন্তু এইভাবে আর কত দিন? রোজ রোজ সেই এক গল্প। মাঠ জুড়ে মার্কোসের পালিয়ে বেড়ানো। ক্রোমার অবিশ্বাস্য সব মিস। আনকোরা ডিফেন্স নিয়ে এভাবে আর কতক্ষণ প্রতিপক্ষকে ঠেকানো যায়! ভিক্টর পেরেজ কোয়ালিটি ফুটবলার। কিন্তু একার কাঁধে দলকে বয়ে বেড়ানোর ক্ষমতা নেই। প্রথম ৪৫ মিনিট তো ইস্টবেঙ্গলকে জাস্ট চোখে দেখা যায় না।

ম্যাচের ১০ মিনিটে লাল-হলুদ রক্ষণকে নাড়িয়ে দিয়ে প্লাজার গোল। দ্বিতীয়ার্ধে আশিরের পরিবর্তে গুরবিন্দর মাঠে আসায় ডিফেন্সের কাঁপুনি কমল। ক্রোমা নামার পর ঝাঁঝ বাড়ল লাল-হলুদের। লাইবেরিয়ান স্ট্রাইকার যে সব মিস করলেন, তা দেখলে লাইবেরিয়ানকে খেপের প্রস্তাব পাঠাতেও ভয় পাবে ক্যানিং থেকে কালনা। ৯২ মিনিটে পেনাল্টি নষ্ট করার পর ফিরতি বলটা ভাগ্যিস জালে জড়িয়ে ছিলেন কোলাডো। অন্তত ১ পয়েন্ট তো এল। ১৪ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে চার নম্বরেই রয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল। এদিন ২-২ গোলে ড্র হল রিয়াল কাশ্মীর বনাম আইজল ম্যাচ।

PARADIP GHOSH

First published: February 29, 2020, 9:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर