অভাবের সংসার, বাবা ভাগচাষী, বাগানের যুব প্রতিভাকে স্বপ্ন দেখাল ইস্টবেঙ্গল

লকডাউন তার ওপর আবার আমফানের ছোবল। ফুটবল তো দূর অস্ত। পরিবারের রুটি-রুজি শিকেয় উঠেছিল সৌরভের। অথচ এমনটা হওয়ার কথা ছিল না!

লকডাউন তার ওপর আবার আমফানের ছোবল। ফুটবল তো দূর অস্ত। পরিবারের রুটি-রুজি শিকেয় উঠেছিল সৌরভের। অথচ এমনটা হওয়ার কথা ছিল না!

  • Share this:

#কলকাতা : মোহনবাগানের যুব ফুটবলারের পাশে ইস্টবেঙ্গল।  লকডাউন, আমফান। পরের পর দুর্যোগ বল কেড়ে নিয়েছিল সৌরভের পা থেকে। অভাবের সংসারে লড়তে লড়তে ময়দানের মূল স্রোত থেকে হারিয়ে যাচ্ছিলেন প্রতিশ্রুতিমান সৌরভ। বাবা পেশায় সামান‍্য ভাগচাষী। একে লকডাউন তার ওপর আবার আমফানের ছোবল। ফুটবল তো দূর অস্ত। পরিবারের রুটি-রুজি শিকেয় উঠেছিল সৌরভের। অথচ এমনটা হওয়ার কথা ছিল না!

মোহনবাগানের অনূর্ধ্ব ১৯ দলের হয়ে গত মরশুমেও বল পায়ে বারে বারে ঝলসে উঠেছিল সোনারপুর রাজপুরের ছেলেটা। সৌরভের প্রতিভা দেখে তাকে সিনিয়র দলে সই করায় মোহামেডান স্পোটিং। কিন্তু তারপরেই দুনিয়াজুড়ে সর্বনাশা করোনার আবহ।

সবুজ মেরুন জার্সিতে ময়দানে ঝড় তোলা কিশোর প্রতিভার দিন কাটছিল আধপেটা খেয়ে। খবর পৌঁছয় ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলার আলভিটোর কানে। সৌরভকে ক্লাবে ডেকে তার পাশে থাকার আশ্বাস দেন ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার।

এর পরেরটা সিনেমার মত। আগামী মরশুমে জন্য ইস্টবেঙ্গলে খেলার প্রস্তাব দেওয়া হয় সৌরভকে। স্বপ্ন হারানো সৌরভের হাতে তুলে দেওয়া হয় লাল-হলুদের ২ নম্বর জার্সি। ক্লাব কর্তারা সাধ্য মতো সাহায্য নিয়ে পাশে দাঁড়ান সৌরভের। শুক্রবার ক্লাবে এসে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তিপত্রে সই করে গেলেন মোহনবাগানের প্রাক্তনী। স্বপ্নের শেষ হতে হতে আবার যেন নতুন করে স্বপ্ন দেখার ভোর সৌরভের সামনে। লাল-হলুদ জার্সিতে মাঠে ফেরার স্বপ্নে মশগুল মোহনবাগানের প্রাক্তন যুব তারকা।

PARADIP GHOSH

Published by:Debalina Datta
First published: