মারাদোনার সই জাল করেছেন চিকিৎসক লিউক, তদন্তে নতুন মোড়, তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব

মারাদোনার সই জাল করেছেন চিকিৎসক লিউক, তদন্তে নতুন মোড়, তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব
photo/ marca

এই ডাক্তারের তত্ত্বাবধানেই মারা যাওয়ার এক সপ্তাহ আগে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়েছিল মারাদোনার। আর্জেন্টিনার তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে বুয়েনস আইরসের এক ক্লিনিক থেকে মারাদোনার অস্ত্রোপচারের আগের সমস্ত মেডিক্যাল রেকর্ড হাতানোর জন্য তাঁর সই জাল করেছিলেন লিউক।

  • Share this:

    #বুয়েনস আয়রেস: দিয়েগো মারাদোনার মৃত্যু নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। এবার মারাদোনার সই জাল করে গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক বলে অভিযোগ উঠল। সম্প্রতি এক তদন্তের পর এই সিদ্ধান্তে এসেছেন তদন্তকারীরা। এরপরই ওই চিকিৎসকের শাস্তির দাবি তুলেছেন সমর্থকরা। গত ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে প্রয়াত হন মারাদোনা। তার অনেক আগে থেকেই লিয়োপোল্ডো লিউক মারাদোনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে নিয়োজিত। এমনকি এই ডাক্তারের তত্ত্বাবধানেই মারা যাওয়ার এক সপ্তাহ আগে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়েছিল মারাদোনার। আর্জেন্টিনার তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে বুয়েনস আইরসের এক ক্লিনিক থেকে মারাদোনার অস্ত্রোপচারের আগের সমস্ত মেডিক্যাল রেকর্ড হাতানোর জন্য তাঁর সই জাল করেছিলেন লিউক।

    তাঁর বাড়ি এবং ব্যক্তিগত চেম্বারে তল্লাশি চালানোর সময়েই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে। মারাদোনার মৃত্যুর পর থেকেই তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছিলেন তাঁর মেয়ে এবং অনুরাগীরা। দাবি মেনে তদন্ত শুরু করে আর্জেন্টিনার স্থানীয় প্রশাসন। যদিও মারাদোনার মৃত্যুর পর থেকেই নিজের প্রতি ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লিউক। তাঁর দাবি, মারাদোনাকে সবথেকে বেশি চেনেন বলেই তাঁকে আক্রমণ করা হচ্ছে। এমনকি সই জাল সহ তাঁর বিরুদ্ধে মারাদোনার পরিবারের আনা চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

    এখানেই শেষ নয়। মারাদোনার আইনজীবী অ্যাঞ্জেলো পিসানি দাবি করেছেন মারা যাওয়ার সময় পর্যন্ত পরিবারের কেউ নাকি তাঁর পাশে ছিল না। ম্যানেজার মাতিয়াস মোলরা অভিযোগ করেছেন মারাদোনার হার্ট অ্যাটাকের পর অনেক দেরিতে অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল। ১৯৭৭ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত মারাদোনার চিকিৎসা করা ডাক্তার অ্যালফ্রেড কাহি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির মৃত্যু স্বাভাবিক হার্ট অ্যাটাকের কারণেই হয়েছে কিনা, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: