খেলা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

'মোহিনী' ভালোবেসেছিলেন মারাদোনা, তিনবার দিয়েগোর বাড়িতে গিয়েছিল সন্দেশ

'মোহিনী' ভালোবেসেছিলেন মারাদোনা, তিনবার দিয়েগোর বাড়িতে গিয়েছিল সন্দেশ

জার্সি গায়ে নিজের রুপ দেখে হেসেছিলেন কলকাতায় এসে। কেন জানেন ?

  • Share this:

#কলকাতা: মোহিনীর জাদুতে পাগল ছিলেন মারাদোনা। তাই একবার নয়, তিন তিনবার মারাদোনার বাড়িতে গিয়েছিল সন্দেশ। ফুটবলের হিরোর মৃত্যুর পরে পুরনো দিনের গল্পের ঝাঁপি খুলছিলেন অমিতাভ৷ মারাদোনার কাছে মিষ্টি গিয়েছিল হুগলি জেলার ছোট শহর রিষড়ার ফেলু মোদকের দোকান থেকে। বাঙালির নয়া মিষ্টির স্বাদ নিয়ে নানা রকম অভিজ্ঞতা হয়েছে এই মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠানের। কিন্তু ডিয়েগো মারাদোনার জন্যে মিষ্টি পাঠানো৷ সেটাও যে সম্ভব হবে তা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেনি "ফেলু মোদক"।

আর্জেন্টিনা জুড়ে নানা রকম ডেজার্ট পাওয়া যায়। ফুটবলার হিসেবে বিশ্বের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন মারাদোনা। ফলে নানা রকম খাবার চেখে দেখার অভিজ্ঞতা তার আছে। তার ওপর আবার অসম্ভব "মুডি" মানুষ ছিলেন মারাদোনা। ফলে তার জন্যে কি মিষ্টি বানানো হবে তা নিয়ে বেশ দ্বিধাবোধ কাজ করছিল সকলের মধ্যে। অমিতাভ জানাচ্ছিলেন, "আমরা ভাবনা চিন্তা করি, উনি যে ধরণের ডেজার্ট চেখে দেখতে অভ্যস্ত তেমনটা বানাতে চাইনি। আমরা চেয়েছিলাম দারুণ একটা স্বাদের মিষ্টি বানাতে। যেহেতু ছানার মিষ্টি বা রসের মিষ্টি তিনি খাবেন না, তাই বানানো হয়েছিল সন্দেশ। মোহিনী সন্দেশ বানানোর সিদ্ধান্ত নিই আমরা। নরম তুলতুলে সেই মিষ্টি বানিয়ে পাঠানো হয়েছিল দুবাইয়ে তার কাছে।"

এছাড়াও আরও দু'বার তার জন্যে বানানো হয়েছিল মোহিনী সন্দেশ। ছিল নানা ধরণের সন্দেশ। কিন্তু কোনও ভাবেও চেষ্টা করে রসের মিষ্টি খাওয়াতে পারেননি।তবে ফেলু মোদকের বর্তমান কর্ণধার অমিতাভ দে জানাচ্ছেন, বাঙালির প্রিয় সন্দেশ পেয়ে দারুণ খুশি ছিলেন মারাদোনা। তবে শিশুদের মতো উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন, সন্দেশ দিয়ে বানানো নিজের কেক দেখে। "হ্যাঁ আমরা কেক বানিয়ে দিয়েছিলাম। উনি শেষবার যখন কলকাতায় আসেন তখন বানানো হয়েছিল। দেশের জার্সি গায়ে দিয়ে মারাদোনা। ওটা দেখে দারুণ খুশি হয়েছিলেন। বাচ্চাদের মতো বারবার দেখে যাচ্ছিলেন"। রিষড়ায় ফেলু মোদকের দোকানে যত্ন করে রয়ে গেছে মারাদোনার স্মৃতি। মারাদোনার মিষ্টি মুখ নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন অনেকেই।

ABIR GHOSHAL

Published by: Ananya Chakraborty
First published: November 27, 2020, 8:55 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर