দিলদরিয়া ! ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুকে সাহায্যের হাত রোনাল্ডো-জর্জিনার

দিলদরিয়া ! ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুকে সাহায্যের হাত রোনাল্ডো-জর্জিনার
ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুর পাশে রোনাল্ডো এবং জর্জিনা

রোনাল্ডো এবং বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজ ক্যান্সার আক্রান্ত একটি শিশুর সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। টমাস নামে পর্তুগালের একটি বাচ্চা দু বছর আগে নিউরোব্লাস্টোমা রোগে আক্রান্ত হয়েছিল

  • Share this:

    #লিসবন: তিনি বরাবর মানুষের পাশে থেকেছেন। ফুটবল মাঠের সুপারস্টার মাঠে যতটা পারফর্ম করেন, ব্যক্তিগত জীবনে যত স্ক্যান্ডাল থাকুক তাঁকে ঘিরে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর মানবিক সত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার জায়গা নেই। সম্প্রতি রোনাল্ডো এবং বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজ ক্যান্সার আক্রান্ত একটি শিশুর সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। টমাস নামে পর্তুগালের একটি বাচ্চা দু বছর আগে নিউরোব্লাস্টোমা রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। এটি একপ্রকার ক্যান্সার যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অপরিণত স্নায়ু কোষের উপস্থিতির কারণে বিকাশ লাভ করে। বার্সেলোনায় ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য এখন আছে শিশুটি।

    রোনাল্ডো এবং রদ্রিগেজের কাছ থেকে সাত বছর বয়সী শিশুটি আর্থিক ও চিকিৎসার ওষুধের ব্যাপারে সহায়তা পেয়েছে। রোনাল্ডো জানিয়েছেন প্রয়োজনে আরও সাহায্য করতে তিনি রাজি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শিশুটির পরিবার এই খবর জানিয়ে রোনাল্ডো এবং তাঁর বান্ধবীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা পাশে না থাকলে সম্ভবত না চিকিৎসা জানিয়েছেন বাচ্চাটির মা।কিন্তু পর্তুগীজ মহাতারকার এমন মহানুভবতার নতুন নয়। অতীতে যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যালেস্টাইনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।

    মানুষের খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য প্রায় হাজার কোটি টাকা দান করেছিলেন। এছাড়া গাজার যুদ্ধবিধ্বস্ত শিশুদের শিক্ষার জন্য নিজের গোল্ডেন বুট নিলামে তোলেন পর্তুগীজ তারকা। সিরিয়া এবং আফ্রিকার দুঃস্থ শিশুদের সাহায্যের জন্য অর্থ দিতে নিজের ব্যালন ডি'অর ট্রফি নিলাম করেন ছয় লক্ষ পাউন্ড দিয়ে। ইজরায়েলের এক ধনকুবের ওই রেপ্লিকা কিনেছিলেন।

    এছাড়াও নেপাল ভূমিকম্প বড় অর্থ সাহায্য করেছিলেন তিনি। যে হাসপাতালে তাঁর মা দলোরেসের চিকিৎসা হয়েছিল সেখানে একটি গবেষণা কেন্দ্র তৈরির জন্য এক লক্ষ পাঁচ হাজার পাউন্ডের তহবিল গড়ে দিয়েছিলেন ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলার। পর্তুগীজ সুপারস্টার এমনই। নেটিজেনরা প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন রোনাল্ডোএবং তাঁর বান্ধবীকে।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published:

    লেটেস্ট খবর