corona virus btn
corona virus btn
Loading

মিঠুনের সঙ্গে কথা, BFA-র টাকায় প্রাক্তনীদের পাশে দাঁড়াতে চান সুব্রত

মিঠুনের সঙ্গে কথা, BFA-র টাকায় প্রাক্তনীদের পাশে দাঁড়াতে চান সুব্রত

বলিউডের ডিস্কো ড্যান্সারের মহতী উদ্যোগে সামিল হয়েছিল বাংলার ফুটবল দুনিয়া। সুব্রত ভট্টাচার্য, গৌতম সরকার, প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়ের মত এক ঝাঁক তারকা।

  • Share this:

#কলকাতা: বাংলার ফুটবলের স্বার্থে বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমি গড়ার কাজ শুরু করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। বলিউডের ডিস্কো ড্যান্সারের মহতী উদ্যোগে সামিল হয়েছিল বাংলার ফুটবল দুনিয়া। সুব্রত ভট্টাচার্য, গৌতম সরকার, প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়ের মত এক ঝাঁক তারকা।

স্বপ্নটা থমকে গিয়েছে মাঝ পথে। কিন্তু বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমির নামে রয়ে  গিয়েছে বড় অঙ্কের তহবিল। বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমির তহবিলে জমে থাকা বিশাল পরিমাণ এসেছিল মূলত মিঠুনের জন্যই। শহরে, গ্রামে স্টেজ পারফরম্যান্স করে মিঠুন চক্রবর্তী তহবিল তৈরি করেছিলেন বাংলার ফুটবলের জন্য। প্রদর্শনী ম্যাচ খেলে সেই তহবিল বাড়িয়ে ছিলেন সুব্রত, প্রশান্ত, প্রসূন, গৌতমরা। সূত্রের খবর, কম বেশি ৬০ লক্ষ টাকা জমা হয়েছিল সেই সময়। এত দিনে সেই টাকা সুদে-মূলে দ্বিগুণের ঘরে পৌঁছেছে।

বাংলার প্রাক্তনীদের পাশে দাঁড়াতে বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমির তহবিলে জমে থাকা সেই অর্থ এবার কাজে লাগানোর ভাবনা সুব্রত ভট্টাচার্যর। মিঠুন চক্রবর্তীর দেওয়া বিশাল অঙ্কের টাকার সঙ্গে যোগ হয়েছিল হয়েছিল আজকের প্রাক্তনীদের প্রদর্শনী ম্যাচ খেলে সংগৃহীত অর্থ। বর্তমানে বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমির তহবিলে জমা অর্থের পরিমাণ প্রায় কোটির ঘরে পৌঁছেছে। সেই টাকা দিয়েই পরিমল দে, তুলসীদাস বলরাম, বদ্রু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত প্রাক্তনীদের পাশে দাঁড়াতে চান সুব্রত।

মোহনবাগানের ঘরের ছেলের বক্তব্য, "বাংলার ফুটবলে তুলসীদাস বলরাম, পরিমল দে-র মত ব্যক্তিত্বদের অবদান ভোলার নয়। ওরাই বাংলার ফুটবলে পথপ্রদর্শক। ওদের দেখেই ফুটবল খেলতে এগিয়ে এসেছে সবাই। ওদের শেষ বয়সে যদি একটা সাম্মানিক দেওয়া যায়, ওদের চিকিৎসা খাতে কিছু টাকা খরচ করা যায় তাহলে ক্ষতি কী! আর এমনিতেই তো বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমির ওই তহবিল পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।"

সুব্রত এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই গৌতম সরকার, প্রশান্ত বন্দোপাধ্যায়ের মত প্রাক্তনদের সঙ্গে ফোনে আলাপ আলোচনা শুরু করেছেন। লকডাউন উঠলে সবার সঙ্গে বসে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর ভাবনা সুব্রতর। মিঠুনের সঙ্গে কথা বলে তার অনুমতি নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। এই ইস্যুতে অন্য মত যে নেই, তা নয়। কম্পটন দত্তের মত এক-দু’জনের মতে অ্যাকাডেমির টাকা অ্যাকাডেমিতে খরচ করা হোক।

গোল বেধেছে এখানেই। ছাড়ার বান্দা নন সুব্রত ভট্টাচার্যও। লকডাউন উঠলেই  এই নিয়ে আসরে নামতে চান। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে একটা ঐক্যমতে পৌঁছনো যাবে বলেই আশা ময়দানের বাবলুদার।

PARADIP GHOSH 

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: June 25, 2020, 5:24 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर