ডার্বি হারের জেরে ইস্তফা ইস্টবেঙ্গল কোচের

ডার্বি হারের জেরে ইস্তফা ইস্টবেঙ্গল কোচের

আলেজান্দ্রো জমানার অবসান। চেন্নাই ম্যাচে ডাগ-আউটে বাস্তব। নতুন কোচের খোঁজে কোয়েস।

  • Share this:

# কলকাতা: একদিকে ডার্বি সহ হারের হ্যাটট্রিক। অন্যদিকে রবিবার চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে কঠিন অ্যাওয়ে ম্যাচ। এরইমধ্যেই শতবর্ষে আরও বিপদ বাড়ল ইস্টবেঙ্গলের। সরে দাঁড়ালেন চিফ কোচ আলেজান্দ্রো গার্সিয়া। ইস্টবেঙ্গল-কোয়েস বৈঠকে ঝড় উঠবে জানাই ছিল। কোচের ব্যর্থতা, বিদেশি বদল নিয়ে সরব হবেন লাল-হলুদের সাবেকি কর্তারা। খবর ছিল এমনটাই কিন্তু দুপুরে কোয়েস কর্তাদের সঙ্গে আলেজান্দ্রোর বৈঠকের পরেই পট পরিবর্তন।

ইস্টবেঙ্গল-কোয়েস কর্তারা বৈঠকে বসার আগেই চলে এল আলেজান্দ্রো মেনেন্দেস গার্সিয়ার পদত্যাগপত্র। ব্যক্তিগত ইস্যু ও শারীরিক অসুস্থতাকেই সরে যাওয়ার কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন স্প্যানিশ কোচ। কোয়েস-ইস্টবেঙ্গল কর্তা সুব্রত নাগের দাবি, অসুস্থতার কারণে ডার্বির আগেই স্পেনে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন রিয়েল মাদ্রিদের যুব দলের প্রাক্তন কোচ। কিন্তু কর্তাদের মধ্যস্থতায় সেই যাত্রায় আটকানো যায় হোসে মোরিনহোর ঘনিষ্ঠ অনুগামীকে। তবে কোয়েস কর্তাদা যাই দাবি করুন, লাল-হলুদের অন্দরমহলের খবর অন্য। ডার্বি হারের পরেই নিজের কপাল লিখন পড়ে নিয়েছিলেন হাই-প্রোফাইল কোচ। সাবেকি ক্লাবকর্তারা তাঁর আনা মার্কোস ও ক্রেসপির বিকল্পের দাবিতে ঝড় তুলবেন, এমন আশঙ্কাই করেছিলেন।

হারের হ্যাটট্রিকের পর কর্তাদের সঙ্গে আলেজান্দ্রোয় আস্থা হারাচ্ছিলেন সমর্থকরাও। তাই সম্মান নিয়ে সরে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না স্প্যানিয়ার্ডের। ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার জানান,‘‘ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, কোচ নিযোগ করা হবে। অনেকের সঙ্গেই কথাবার্তা শুরু হয়েছে।’’রবিবার চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ডাগ-আউটে বসবেন আলেজান্দ্রোর ভারতীয় সহকারী বাস্তব রায়। আলেজান্দ্রোর সরে দাঁড়ানোর দিনে বোরহা গোমেজও জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে পরিবার ছেডে় ভারতে ফেরা সম্ভব হচ্ছে না তাঁর। অর্থাৎ শুধু কোচ নয়, কোচের সঙ্গে বিদেশি ডিফেন্ডারও খুঁজতে হবে কোয়েস কর্তাদের। নতুন কোচ এসেই লাল-হলুদে ক্রেসপি ও মার্কোসের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন। ক্লাবসূত্রে খবর, আলেজান্দ্রোর সঙ্গে সরে দাঁড়াতে চেয়েছেন গোটা স্প্যানিশ ব্রিগেড। তবে ক্লাবের পক্ষ থেকে এই খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি। সব মিলিয়ে শতবর্ষে ডামাডোলে লাল-হলুদ।

 PARADIP GHOSH

First published: January 21, 2020, 7:55 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर