• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • এবার বিনীত, রিনো ! ফের আইএসএল থেকে তারকা তুলল ইস্টবেঙ্গল

এবার বিনীত, রিনো ! ফের আইএসএল থেকে তারকা তুলল ইস্টবেঙ্গল

দলবদলের মরশুমে যে ভাবে ঘর গোছাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল, তাতে চোখ কপালে ওঠার কথা

দলবদলের মরশুমে যে ভাবে ঘর গোছাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল, তাতে চোখ কপালে ওঠার কথা

দলবদলের মরশুমে যে ভাবে ঘর গোছাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল, তাতে চোখ কপালে ওঠার কথা

  • Share this:

#কলকাতা : শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার মুখ খুলছেন না! রহস্যে পর্দা তুলছেন না শীর্ষকর্তার ঘনিষ্ঠ বৃত্তের মধ‍্যে থাকা কর্তারাl রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং ফেডারেশন সভাপতি প্রফুল প্যাটেলকে চিঠি লিখে সওয়াল করেছেন ইস্টবেঙ্গলের জন্য। তবু তারপরেও একটা কিছু  কিন্তু রয়ে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল ও আইএসএল-র মধ্যে... রয়ে যাচ্ছে একটা অদৃশ্যমান দূরত্ব।

তবে সে তো সময়ের ব্যাপার। ইস্টবেঙ্গল শেষ পর্যন্ত ইন্ডিয়ান সুপার লিগ খেলবে কি না, সে তো সময় বলবে। এআইএফএফ সচিব কুশল দাস আড় ভাঙছেন না। বরং এফএসডিএলের ওপর সিদ্ধান্তের দায়িত্ব চাপিয়ে নিরাপদ দূরত্বে থাকছেন। দলবদলের মরশুমে যে ভাবে ঘর গোছাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল, তাতে চোখ কপালে ওঠার কথা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ খেলার নিশ্চয়তা না থাকলে এত বড় বাজেটের দিকে কীভাবেই বা এগোচ্ছে লাল-হলুদ। করোনা আবহে অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও চোখ ঠাটিয়ে দেওয়ার মত দল করছে ইস্টবেঙ্গল। সোমবার লাল-হলুদ রিক্রুটাররা নিশ্চিত করে ফেললেন জামশেদপুর এফসি-র স্ট্রাইকার কাম উইঙ্গার সিকে বিনীতকে। ২০১৯-২০ মরশুমেও জামশেদপুরের জার্সিতে আইএসএল-এ ১০ টি ম্যাচ খেলেছেন বিনীত। খেলেছেন চেন্নাইয়িন ও কেরালা ব্লাস্টার্সের হয়েও।

সোমবার ইস্টবেঙ্গল নিশ্চিত করে ফেলল আইএসএলের আরেক তারকা ফুটবলার রিনো অ্যান্টোকে। মোহনবাগানের হয়ে এক সময় খেলে যাওয়া রিনো আই লিগের পাশাপাশি আইএসএলের পরিচিত মুখ। ইস্টবেঙ্গল এদিন আরও সই করিয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সের প্রীতম কুমার, এটিকের অনিল চবন, মহমেডানের বিকাশ সাইনিকে। ইস্টবেঙ্গলে আগেই নাম লিখিয়েছেন নর্থইস্ট ইউনাইটেডের মিলন সিং,  বেঙ্গালুরু এফসির লিঙডো। ইস্টবেঙ্গলের চমক তালিকায়  নাম রয়েছে  মোহনবাগানের শঙ্কর রায়, এটিকের বলবন্ত ও শেহনাজ-এর। খাতায়-কলমে চমকে ভরা এবারের ইস্টবেঙ্গল। সবচেয়ে বড় কথা, বেশিরভাগ তারকাকেই আইএসএল ভাঙিয়ে তুলে এনেছেন ইস্টবেঙ্গলের রিক্রুটাররা। সাফল্যটা সেখানেই।

লাল হলুদের আইএসএল খেলার নিশ্চয়তা না থাকলে তারকা ফুটবলার-রাই বা ইস্টবেঙ্গলের দিকে পা বাড়াচ্ছেন কেন? অর্থনৈতিক মন্দার বাজারে এই বাজেটই বা ইস্টবেঙ্গল পাচ্ছে কোথায়? তাহলে কি স্পনসরের জাল গুটিয়ে নিয়েছেন দেবব্রত সরকার অ্যান্ড কোম্পানি? সে যাই হোক। দলবদলে ঘর গোছানোর দৌড়ে অন‍্য ক্লাব বা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে কলকাতার ক্লাবটি। তবে কথায় বলে, 'শেষ ভাল যার, সব ভাল তার।' ইস্টবেঙ্গল জনতার মনের কথা এখন সেটাই। শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার 'খুল যা সিম সিম' করে আইএসএলের দরজা খুলে ফেলতে পারলে, শতবর্ষে দাঁড়িয়ে থাকা ক্লাবটার জন্য সেটাই হবে বড় প্রাপ্তি। লাল-হলুদ সদস্য, সমর্থকদের জন্য বড় চমক। দল গড়ার যা ইঙ্গিত, তাতে অবশ্য আশা রাখাই যায়। সে এআইএফএফ কর্তারা যতই ইস্টবেঙ্গলকে ধরে ১২ দলের আই লিগ করার ব্লু-প্রিন্ট সাজান না কেন! কে না জানে, এফএসডিএল চাইলে এখন ভারতীয় ফুটবলে সবই সম্ভব।

PARADIP GHOSH

Published by:Rukmini Mazumder
First published: