‘‌তাড়াতাড়ি গলফ কোর্টে ফিরতে চাই’‌ অস্ত্রোপচারের পর বললেন কপিল দেব

‘‌তাড়াতাড়ি গলফ কোর্টে ফিরতে চাই’‌ অস্ত্রোপচারের পর বললেন কপিল দেব
দেবীপক্ষেই বড় দুঃসংবাদ আসে ভারতীয় ক্রিকেটের ক্ষেত্রে। হৃদরোগে আক্রান্ত হন বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট তারকা কপিল দেব।

দেবীপক্ষেই বড় দুঃসংবাদ আসে ভারতীয় ক্রিকেটের ক্ষেত্রে। হৃদরোগে আক্রান্ত হন বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট তারকা কপিল দেব।

  • Share this:

    ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক কপিল দেব সম্প্রতি হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তারপর তার অ্যাঞ্জিওপ্ল্যাস্টি করা হয়। ৬১ বছরের কপিল দেবের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ক্রিকেট মহল। সকলেই কপিল দেবের দ্রুত রোগ মুক্তির জন্য প্রার্থনা করতে থাকেন। সেই সমস্ত উদ্বেগের মধ্যেই কপিল দেব যে সেরে উঠছেন, সেই ইঙ্গিত তিনি নিজেই দিলেন। নিজেই হাসপাতাল থেকে লিখে পাঠালেন বার্তা।

    তিনি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, ‘‌হাই সকলকে, আমার মন খুব ভাল আছে, আর আমি সেরে উঠছি। দ্রুত সেরে ওঠার পথেই র‌য়েছি আমি। আমার গলফ খেলায় ফেরার জন্য আর তর সইছে না আমার। আপনারা সবাই আমার পরিবারের অংশ।’‌ ভারতীয় দলের প্রাক্তন খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে এই বার্তা দিয়েছে কপিল দেব। সেই সঙ্গে হাসপাতালের বেডে শুয়ে একটি ছবিও তুলেছেন তিনি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালের বেডে শুয়েও বুড়ো আঙুল উঁচু করে কপিল দেব বোঝাতে চাইছেন, তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন।


    দেবীপক্ষেই বড় দুঃসংবাদ আসে ভারতীয় ক্রিকেটের ক্ষেত্রে। হৃদরোগে আক্রান্ত হন বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট তারকা কপিল দেব। তাঁকে দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়ে। সেখানে তাঁর অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি হয়।এদিন কপিল দেবের অসুস্থতার খবর মেলে ট্যুইটারে। লীনা ঠাকরে নামক এক ক্রীড়া সাংবাদিক প্রথম তাঁর অসুস্থতার কথা জানান। তারপরেই সাড়া পড়ে যায় ক্রীড়ামহলে। ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ককের সুস্থতা কামনা করছে গোটা দেশ। কপিলের বর্তমান বয়স ৬১। দীর্ঘ ১৬ বছরের বর্ণময় কেরিয়ারে কপিল দেব খেলেছেন ১৩১ টি টেস্ট ও ২২৫টি একদিনের ম্যাচ। বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার রিচার্ড হ্যাডলি, ইয়ান বোথাম, ইমরান খানের সঙ্গে একই আসনে বসানো হয় তাঁকে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওয়ানডে ও টেস্ট মিলিয়ে ৬৮৭টি উইকেট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published:

    লেটেস্ট খবর