খেলা

  • associate partner
corona virus btn
corona virus btn
Loading

আইপিএলে করোনা পরীক্ষায় ব্যয় ১০ কোটি! স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কোনও আপোসে নারাজ বিসিসিআই

আইপিএলে করোনা পরীক্ষায় ব্যয় ১০ কোটি! স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কোনও আপোসে নারাজ বিসিসিআই

সংযুক্ত আরব আমিরশাহি পৌঁছানোর পর এই ১৯৮৮ জনেরই দফায় দফায় করোনা পরীক্ষা করানো হচ্ছে। টুর্নামেন্ট চলাকালীনও পরীক্ষা চলবে।

  • Share this:

#কলকাতা: আর মাত্র আড়াই সপ্তাহের অপেক্ষা। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আয়োজিত হতে চলা আইপিএলের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল স্বাস্থ্যবিধি। করোনা পরিস্থিতিতে ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফদের করোনা থেকে দূরে রাখাই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ বিসিসিআইয়ের। সেই কারণেই ক্রিকেটার সাপোর্ট স্টাফদের দফায় দফায় করোনা পরীক্ষা করে চলেছে বোর্ড। আট'টি ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ এবং কর্তাদের মিলিয়ে মোট ১৯৮৮ জন রয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি পৌঁছানোর পর এই ১৯৮৮ জনেরই দফায় দফায় করোনা পরীক্ষা করানো হচ্ছে। টুর্নামেন্ট চলাকালীনও পরীক্ষা চলবে।

তবে এই করোনা পরীক্ষা করার জন্য কত টাকা খরচ করছে বোর্ড? বিসিসিআইয়ের তরফে খবর, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে করোনা পরীক্ষা করার জন্য বোর্ড ভিপিএস হেলথকেয়ার নামে এক সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। আর ১৯৮৮ জনের করোনা পরীক্ষার জন্য খরচ হচ্ছে ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১০ কোটি টাকা।                                বিসিসিআইয়ের এক কর্তা এই প্রসঙ্গে জানান, "স্বাস্থ্য নিয়ে সমঝোতার কোনও প্রশ্ন নেই। তারমধ্যে করোনা সংক্রমক ব্যাধি। তাই আইপিএল আয়োজন করতে গিয়ে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেসব বিষয় প্রয়োজন সেগুলোই পালন করা হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে প্রতিটি করোনা পরীক্ষার জন্য খরচ হচ্ছে স্থানীয় মুদ্রায় ২০০ দিরহাম। আর মোট খরচ হচ্ছে প্রায় ১০ কোটি টাকা।"

এ দিকে আইপিএলের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষা করার জন্য বিশেষ ৭৫ জনের একটি দল গঠন করা হয়েছে। প্রত্যেককে একটি বিলাসবহুল হোটেলে জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রাখা হয়েছে। সেটাও বোর্ডের খরচে। ইতিমধ্যে সিএসকে-র  দুই  ক্রিকেটার-সহ মোট ১৩ জন সাপোর্ট স্টাফ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তবে বোর্ডের কাছে স্বস্তি আর কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিতে এখনও পর্যন্ত করোনা সংক্রমণের খবর মেলেনি। তবে বোর্ড সব সময় সতর্ক রয়েছে। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময় বিদেশি  ক্রিকেটাররা যখন দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন তখন তাঁরা কোয়ারেন্টাইনের সব নিয়ম মানছেন কিনা, তা প্রতিমুহূর্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্রিকেটারদের বায়ো বাবল অর্থাৎ জৈব সুরক্ষার বলার মধ্যে রাখা হয়েছে। গতিবিধি মনিটরিংয়ের জন্য প্রত্যেককে চিপ ট্র্যাকার দেওয়া হয়েছে।

তবে বোর্ডের অনুরোধে ইতিমধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াতের জন্য বেশ কিছু বিধিনিষেধ-সহ কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। এই নিয়ে এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্তা জানান, "করোনার কারণে শারজা, আবুধাবি, দুবাইয়ে যাতায়াতের জন্য বেশ কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে সরকারি স্তরে কথাবার্তা বলার পর আইপিএলের দলগুলিকে সেই বিধিনিষেধের আওতায় না রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।"

ERON ROY BURMAN

Published by: Shubhagata Dey
First published: September 2, 2020, 10:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर