এশিয়া কাপ বাতিল, শিখরদের লঙ্কা সফর অনিশ্চিত

করোনার গ্রাসে এশিয়া কাপ বাতিল

করোনা পরিস্থিতির জন্য বাতিল হয়ে গেল এশিয়া কাপ। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে এমন ঘোষণা করা হয়েছে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: খবরটা শেষপর্যন্ত সত্যি হয়ে গেল। সম্ভাবনা অবশ্য আগে থেকেই ছিল। যেভাবে প্রতিদিন মাথাচাড়া দিয়ে বাড়ছে ভাইরাসের দাপট, তাতে এশিয়া কাপ প্রশ্নের মুখে ছিল প্রথম থেকেই। ক্রিকেট আগে না মানুষের প্রাণ ? এই প্রশ্ন শুনতে শুনতে ক্রিকেট বোর্ড এবং স্পন্সরদের ওপর চাপের পরিমাণ অনন্ত। তবুও বিরাট আর্থিক ক্ষতি সামলাতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে যতটা ক্রিকেট মাঠে গড়ানো যায়। করোনা পরিস্থিতির জন্য বাতিল হয়ে গেল এশিয়া কাপ। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে এমন ঘোষণা করা হয়েছে।

    পাকিস্তানে এশিয়া কাপ আয়োজনের কথা থাকলেও ভারতের সেখানে খেলতে যাওয়ার ব্যাপারে তীব্র আপত্তি ছিল। সেই জন্য আগামী জুন মাসে শ্রীলঙ্কাতে এই প্রতিযোগিতা সরিয়ে এনেছিল এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। তবে শেষপর্যন্ত এই প্রতিযোগিতা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। ফলে এশিয়া কাপ বাতিলের পর আগামী জুলাই মাসে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়েও প্রশ্ন উঠে গেল। কোভিডের দাপট কম হলে চলতি বছরের অক্টোবর-নভেম্বর মাসে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজিত হতে পারে। সেই জন্য এই প্রতিযোগিতা টি-টোয়েন্টিতে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এসিসি।

    তবে ভারতের মতোই শ্রীলঙ্কাতেও কোভিডের অবস্থা ভাল নয়। শ্রীলঙ্কা দল এই মুহূর্তে বাংলাদেশে থাকলেও আগামী ১০ দিন সব আন্তর্জাতিক উড়ান বন্ধ রেখেছে শ্রীলঙ্কা সরকার। ফলে আগামী জুলাই মাসে ভারতের দ্বিতীয় সারির দলের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার একদিনের ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ ভেস্তে যেতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেট মহল। এশিয়া কাপ বাতিল হওয়ার বিষয়ে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের মুখ্য সচিব অ্যাশলে ডি সিলভা বলেন, “বিশ্ব জুড়ে কোভিডের অবস্থা ভাল নয়। তাই আগামী জুন মাসে আয়োজিত হতে চলা এশিয়া কাপ বাতিল করে দেওয়া হল।”

    এরপরেই তিনি যোগ করেছেন, “অবস্থা যা, মনে হচ্ছে ২০২৩ সালের আগে এশিয়া কাপ আয়োজন করা সম্ভব নয়। কারণ আগামী দুই বছর এশিয়ার সব দল একাধিক সিরিজ খেলতে ব্যস্ত থাকবে। আশা করি কয়েক দিনের মধ্যে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের তরফ থেকেও এই বিষিয়ে সরকারী ঘোষণা করা হবে।” ২০১৬ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশকে ফাইনালে হারিয়ে এশিয়া কাপ জিতেছিল ভারত। এর মধ্যে শেষবার রোহিত শর্মার অধিনায়কত্বে এই ট্রফি জিতেছিল ভারত।

    এশিয়া কাপের ইতিহাসে ১০ বার ফাইনাল খেলে ৭বার জয়ী হয়েছে ভারতীয় দল। তবে আইপিএল এর দ্বিতীয় অংশ যদি ইংল্যান্ডের আয়োজন করতে বেশি খরচ হয়ে যায় বোর্ডের, সেক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কাকে দ্বিতীয় পছন্দ হিসেবে রাখা হচ্ছে। তাই আর এশিয়া কাপ করিয়ে সে দেশের বোর্ডকে অতিরিক্ত চাপ দিতে নারাজ বিসিসিআই। এমনও হতে পারে ভেতর ভেতর দ্বীপ রাষ্ট্রতেই আইপিএলের বাকি ম্যাচ সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: