মোদি নির্দোষ, গুজরাত দাঙ্গায় ক্লিনচিট নানাবতী কমিশনের

মোদি নির্দোষ, গুজরাত দাঙ্গায় ক্লিনচিট নানাবতী কমিশনের
  • Share this:

#আহমেদাবাদ: ১৭ বছর পর গুজরাত দাঙ্গায় ক্লিনচিট পেলেন গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। দাঙ্গায় নরেন্দ্র মোদির কোনও ভূমিকা পাওয়া যায়নি বলে রিপোর্ট দিয়েছে নানাবাতী কমিশন। তবে রিপোর্টে দাবি, দাঙ্গার সময়ে পুলিশ ও প্রশাসনের একটি অংশ নিষ্ক্রিয় ছিলেন। সেই দায় মোদির ওপরই বর্তায়। ়

২০০২ সালে গুজরাত দাঙ্গা এখনও তাড়া করে বেড়ায় নরেন্দ্র মোদিকে। বিরোধীদের নির্বাচনী প্রচারে উঠে আসে দাঙ্গার প্রসঙ্গ। গুজরাতে দাঙ্গার ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ১৭ বছর। এতদিনে নানাবতী কমিশনের রিপোর্ট জানাল, দাঙ্গায় মোদির ভূমিকা ছিল, এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। তাই দাঙ্গার ঘটনায় ক্লিনচিট পাচ্ছেন গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবারই গুজরাত বিধানসভায় পেশ হয় নানাবতী কমিশনের রিপোর্ট। ২০১৪ সালে এই রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা পড়ে। তারপরও ৫ বছর ৩ মাস পর সেই রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করা হল ৷

গুজরাত দাঙ্গার পর প্রাক্তন বিচারপতি জিটি নানাবতীর নেতৃত্বে কমিশন গঠিত হয় ৷ মোট ৩৬৫৯ জনের সাক্ষ্য নেয় কমিশন ৷ এর মধ্যে ৭০০-রও বেশি সরকারি অফিসার ও পুলিশকর্মী ৷

রিপোর্টে জানানো হয়েছে, দাঙ্গার ঘটনায় তৎকালিন মুখ্যমন্ত্রীর হাত ছিল বলে প্রমাণ মেলেনি। তিনদিন ধরে দাঙ্গা হলেও পুলিশ-প্রশাসনের বড় অংশই নিষ্ক্রিয় ছিল। অধিকাংশ শীর্ষ পুলিশকর্তাও হাত গুটিয়ে ছিলেন ৷

প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তার দায় কী মুখ্যমন্ত্রীর নয়? এনিয়ে রিপোর্টে নেই। বলা হয়েছে, পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। কিন্তু কেন, তা স্পষ্ট নয়। তবে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে এনিয়ে কোনও নির্দেশ যায়নি। তিনি ( নরেন্দ্র মোদি) পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত ছিলেন কিনা তাও স্পষ্ট নয় ৷

২০০২ সালে গোধরায় ট্রেনে আগ্নিকাণ্ডে ৫৯ করসেবকের মৃত্যু হয়েছিল। তার পর থেকে গুজরাতের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় তিন দিন ধরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় নিহত হয়েছিলেন প্রায় ১১০০ মানুষ। অভিযোগ ওঠে, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাঙ্গায় উসকানি দিয়েছিলেন। প্রশানসকে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় রাখা হয়। এতদিনে সেই অভিযোগ মুক্তি হল নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির।

First published: 11:27:29 PM Dec 11, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर