Home /News /south-bengal /
Amarnath Yatra Tragedy: মাকে বাঁচাতে গিয়ে ভেসে গেল মেয়ে, অমরনাথে দুর্ঘটনার কবলে বারুইপুরের তিনজন

Amarnath Yatra Tragedy: মাকে বাঁচাতে গিয়ে ভেসে গেল মেয়ে, অমরনাথে দুর্ঘটনার কবলে বারুইপুরের তিনজন

অমরনাথ যাত্রায় গিয়ে নিহত বর্ষা মুহূরি৷

অমরনাথ যাত্রায় গিয়ে নিহত বর্ষা মুহূরি৷

স্থানীয় কাউন্সিলরের তরফে গোটা বিষয়টি স্থানীয় বারুইপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানানো হয়েছে।

  • Share this:

#সাহ্নিক ঘোষ, বারুইপুর: মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অমরনাথ থেকে একের পর এক খারাপ খবর যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অংশে। এবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার বারুইপুরের একই পরিবারের তিনজনের নিখোঁজ হওয়ার খবরে আশঙ্কার ছায়া এলাকায়।

জুলাই মাসের ১ তারিখ পরিচিতদের একটি দলের সঙ্গে জম্মু কাশ্মীরের উদ্দেশ্যে রওনা হন একই পরিবারের তিন সদস্য। স্থানীয় সূত্রে দাবি, শুক্রবার বিপর্যয়ের সময়ে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির ফলে আসা হরপা বানের সামনে পড়ে ভেসে যান ২৫ বছরের বর্ষা মুহুরি। আহত হন বর্ষার মা নিবেদিতা মুহুরি এবং তাঁর মামা সুব্রত চৌধুরী। বর্ষা মুহূরি নামে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে বলে নবান্নের তরফেও জানানো হয়েছে৷

আরও পড়ুন: আটকে পড়া ১৫০০০ তীর্থযাত্রী উদ্ধার, অমরনাথে মেঘ ভাঙা বন্যায় মৃত ১৬, নিখোঁজ বহু!

ঘটনার পর থেকেই তাঁদের সঙ্গে কোনও রকম ভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি পরিবারের তরফে। শনিবার কাশ্মীরের স্থানীয় একটি  সংবাদ মাধ্যম থেকে তাঁরা শনাক্ত করা মৃতের তালিকায় ঠিকানা সহ বর্ষা মুহুরির নাম দেখতে পান। স্থানীয় কাউন্সিলর বিকাশ দত্ত দাবি করেন, বিপর্যয়ের সময় মা নিবেদিতা মুহুরিকে বাঁচাতে গিয়ে প্রবল জলের স্রোতে ভেসে যান বর্ষা। যদিও গোটা বিষয়টি নিয়েই প্রশাসনিক পদক্ষেপের অপেক্ষা করছেন প্রত্যেকে।

আরও পড়ুন: অমরনাথ যাত্রার পথে হড়পা বান প্রভাবিত এলাকা চিহ্নিত, বিমানপথে উদ্ধারকাজ শুরু

স্থানীয় কাউন্সিলরের তরফে গোটা বিষয়টি স্থানীয় বারুইপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানানো হয়েছে। তাঁর তরফে পরিবারকে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই বারুইপুর থানার পুলিশের তরফে তাঁদের বাড়িতে এসেও সমস্ত তথ্য জোগাড় করা হয়েছে। কোন ট্রেনে তাঁরা কাশ্মীর গিয়েছিলেন এবং শেষ কোথা থেকে তাঁরা যোগাযোগ করতে পেরেছিলেন, সেই সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে উচ্চতর প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বারুইপুর থানার পুলিশ।

তবে এখনও পর্যন্ত সরকারি ভাবে কোনও খবর না থাকলেও ইতিমধ্যেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে বারুইপুর চক্রবর্তীপাড়া কে এম রায় চৌধুরী রোড এলাকায়। বর্ষার বাবা চন্দন কুমার মুহুরির হৃদপিণ্ডে অস্ত্রোপচার হয়েছে কিছুদিন আগে। এখনও পর্যন্ত তাঁকে সবকিছু জানাননি প্রতিবেশীরা।

বর্ষার বন্ধুমহলেও শোকের ছায়া। বর্ষার এক বন্ধু অরিত্র চক্রবর্তী জানান, "বর্ষা ঘুরতে গিয়েছিল জানতাম, আজ সকাল থেকেই বিভিন্ন রকম খবর কানে আসছে, আমরাও খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে বর্ষার মা এবং মামা সুস্থ অবস্থায় ফিরে আসুন, আমরা এখন এটাই চাই"।

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

পরবর্তী খবর