দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ইংরেজি নববর্ষ পালনের উচ্ছ্বাসে মাস্কে মুখ ঢাকতে ভুললেন অনেকেই, চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা

ইংরেজি নববর্ষ পালনের উচ্ছ্বাসে মাস্কে মুখ ঢাকতে ভুললেন অনেকেই, চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা
দেদার ভিড়, মাস্ক ছাড়াই জমায়েতে অনেকে।

করোনায় সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা এখনও থেকেই যাচ্ছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে নিজেদের আর ধরে রাখতে পারলে না অনেকেই। নিউ নর্মালের ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনে সকাল সকাল পিকনিকে বেরিয়ে পড়লেন বর্ধমানের বাসিন্দারা। শীত উপভোগ করতে বেরিয়ে মাস্ক বা ফেস কভারে মুখ ঢাকতে ভুললেন অনেকেই। আনন্দে উল্লাসে বজায় থাকলো না সামাজিক দূরত্বও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার সংক্রমণ গত কয়েক দিনে কিছুটা কমলেও তা এখনও নির্মূল হয়ে যায়নি। প্রতিদিনই অনেক পুরুষ মহিলা নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই আপাতত সাবধানতা অবলম্বন করে চলাই যুক্তিযুক্ত। যতদিন না ভ্যাকসিন আসছে ততদিন করোনা রুখতে যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ঘরের বাইরে পা দিলে মাস্কে মুখ ঢাকাই উচিত। সেইসঙ্গে সচেতনভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। নচেৎ করোনায় সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা এখনও থেকেই যাচ্ছে।

বর্ধমানের দামোদরের তীরে সদরঘাট থেকে জলকল মাঠ,ইদিলপুর, পাল্লা রোড সর্বত্রই আজ নতুন বছরের প্রথম দিনে চড়ুইভাতির নজরকাড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘদিন করোনা সংক্রমণের আশঙ্কাকে সঙ্গী করে ঘরের মধ্যে আবদ্ধ থাকতে হয়েছে। এখন সংক্রমণ কিছুটা কমেছে। তাই আশঙ্কাকে দূরে সরিয়ে রেখে চড়ুইভাতি করার মধ্য দিয়ে নতুন বছর উপভোগ করছেন তারা। কিন্তু ফেস কভার বা মাস্কে মুখ ঢাকা হয়নি কেন? বর্ধমানের ঢলদিঘি এলাকার বাসিন্দা ববিতা দাস বললেন, মাস্ক সঙ্গে রয়েছে। ব্রেকফাস্ট করার জন্য তা খোলা হয়েছিল। আর পরা হয়ে ওঠেনি। বাদামতলা রোড এলাকার বাসিন্দা যুথিকা দাস বললেন, পিকনিক মানে আনন্দ উল্লাস, সেলফি তোলা। মাস্ক পরে সেলফি তুলতে কারই বা ভালো লাগে। তাই তা ব্যাগে ঢুকিয়ে রেখেছি। অনেকে আবার লিপস্টিক বাঁচাতে ফেস কভার ব্যাগের মধ্যে রেখে দিয়েছেন।

এ তো গেল মহিলাদের কথা। আজকের প্রজন্মের ছেলেরা পিকনিক করতে এসে মাস্কে মুখ ঢাকার ধার দিয়েও যাচ্ছেন না। অনেকে তা সঙ্গেও রাখেননি। হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার কমেছে অনেকটাই। সব মিলিয়ে এইসব টুকরো টুকরো অসচেতনতার ছবি নতুন বছরে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা বলছেন,এই সময় এই অসতর্কতা ফের বিপদ ডেকে আনতে পারে। এমনিতেই শীতের সময় এই ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা থাকছেই। বাইরের অনেক দেশে ফের নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা। ফলে সেইসব দেশে ফের নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করতে হচ্ছে। তাছাড়া এই ভাইরাস চরিত্র বদল করে আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে বলে বিভিন্ন তথ্য মিলছে। তাই এই সময় করোনার সংক্রমণ এড়াতে আরও সতর্কতার সঙ্গে জীবন যাপন জরুরি। প্রতি মুহূর্তে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

Published by: Arka Deb
First published: January 1, 2021, 11:41 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर