• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • সাপে কাটা রুগীদের বাঁচাতে ওঝা গুণিনদের নিয়ে কর্মশালা

সাপে কাটা রুগীদের বাঁচাতে ওঝা গুণিনদের নিয়ে কর্মশালা

সাপের কামড়ে মৃত্যু গ্রাম বাংলার মানুষের কাছে একটা বড় সমস্যা। প্রতি বছর বর্ষার সময় সাপের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সাম্প্রতিক অতীতে শুধুমাত্র ক্যানিং মহকুমাতেই প্রায় দশজনের মৃত্যু হয়েছে সাপের কামড়ে।

সাপের কামড়ে মৃত্যু গ্রাম বাংলার মানুষের কাছে একটা বড় সমস্যা। প্রতি বছর বর্ষার সময় সাপের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সাম্প্রতিক অতীতে শুধুমাত্র ক্যানিং মহকুমাতেই প্রায় দশজনের মৃত্যু হয়েছে সাপের কামড়ে।

সাপের কামড়ে মৃত্যু গ্রাম বাংলার মানুষের কাছে একটা বড় সমস্যা। প্রতি বছর বর্ষার সময় সাপের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সাম্প্রতিক অতীতে শুধুমাত্র ক্যানিং মহকুমাতেই প্রায় দশজনের মৃত্যু হয়েছে সাপের কামড়ে।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #ক্যানিং: সাপের কামড়ে মৃত্যু গ্রাম বাংলার মানুষের কাছে একটা বড় সমস্যা। প্রতি বছর বর্ষার সময় সাপের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সাম্প্রতিক অতীতে শুধুমাত্র ক্যানিং মহকুমাতেই প্রায় দশজনের মৃত্যু হয়েছে সাপের কামড়ে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা সহ বিভিন্ন এলাকাতে প্রতিবছর বহু মানুষের মৃত্যু হয় সাপের ছোবলে। কিন্তু বর্তমানে এই হাইটেক যুগে যখন চিকিৎসা ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে তখন কেন কমানো যাচ্ছে না এই সাপের কামড়ে মৃত্যু?

    কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, সাপের কামড়ে মৃত্যুর জন্য বেশিরভাগ দায়ী মানুষের অন্ধ বিশ্বাস। এখনো হাসপাতালের পরিবর্তে বেশিরভাগ গ্রাম বাংলার মানুষই যেতে পছন্দ করেন ওঝা গুণিনের কাছে। সেই কারণেই প্রাণ হারাচ্ছেন বহু সাপে কাটা রুগী। এই সমস্যার সমাধান করার জন্য দক্ষিণ ২৪ পরগণার ক্যানিংয়ের একটি বেসরকারি সংস্থা যুক্তিবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থা ওঝা গুনিনদের নিয়ে একটি দু’দিন ব্যাপী একটি আবাসিক কর্মশালার আয়োজন করে। এই কর্মশালায় রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে ২৭ জন ওঝা ও গুণিন অংশগ্রহণ করেন।

    এই সাপকে কেন্দ্র করে মনসা মঙ্গল থেকে শুরু করে বিভিন্ন পৌরাণিক গল্প গাঁথা রয়েছে  । আর সেই গল্পগাঁথা শুনেই গ্রাম বাংলার মানুষের মনে সাপের কামড়ের ভয় এখনও লেগে রয়েছে। তাই সাপে কামড়ালে হাসপাতাল বা ডাক্তারের পরিবর্তে এখনো ওঝা গুণিনের কাছেই বেশি মানুষ যেতে পছন্দ করেন।

    বর্তমানে যে অত্যাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্যে এই সাপের কামড়ের চিকিৎসা করা সম্ভব ও মৃত্যুর মুখ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব তা দেখিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু কিছুতেই গ্রামের সাধারন মানুষকে ওঝা গুণিনের কাছে যাওয়ার প্রবণতাকে বন্ধ করা যাচ্ছে না। সেই কারনেই ক্যানিংয়ের এই সংস্থা ঠিক করে যদি ওঝা গুণিনদের সঠিকভাবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া যায় তাহলেই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। সেই লক্ষ্যেই শুরু হয় এই ওঝা গুণিনদের নিয়ে কর্মশালা।

    শুক্রবার সকাল থেকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের ‘স্নেক বাইট রিসার্চ সেন্টারে’ শুরু হয়েছে এই কর্মশালা। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে মোট ২৭ জন ওঝা ও গুণিন অংশগ্রহন করেন এদিনের কর্মশালায়। এদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন যুক্তিবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থার সদস্যরা ও সাপের কামড়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ সমর রায়।

    First published: