ভিন রাজ্য থেকে পূর্ব বর্ধমানে আসা শ্রমিকদের রাখা হবে কোয়ারেন্টাইনে

বাইরের জেলা বা রাজ্য থেকে এই জেলায় কাজ করতে এসে আটকে পড়েছেন, এমন শ্রমিকদেরও কোয়ারেন্টাইনে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে

বাইরের জেলা বা রাজ্য থেকে এই জেলায় কাজ করতে এসে আটকে পড়েছেন, এমন শ্রমিকদেরও কোয়ারেন্টাইনে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে

  • Share this:

#বর্ধমান: কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে অন্যান্য রাজ্য থেকে হেঁটে আসা শ্রমিকদের। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। জেলার সীমানা সিল করে দেওয়ার পর যে সমস্ত শ্রমিক ভিন রাজ্য থেকে পূর্ব বর্ধমানে এসেছেন, তাঁদের রাখা হবে কোয়ারান্টিনে। আবার বাইরের জেলা বা রাজ্য থেকে এই জেলায় কাজ করতে এসে আটকে পড়েছেন, এমন শ্রমিকদেরও কোয়ারেন্টাইনে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বাইরের রাজ্য থেকে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন এমন ৫১  জনকে বর্ধমানের সাধনপুরের কৃষি খামারের কাছে ১৩৮ শয্যার পরিকাঠামো থাকা কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ওই শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে রাখার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে।

দু'দিন আগেই পূর্ব বর্ধমান জেলার সীমানায় জামালপুর থানার জৌগ্রামে কয়েক দল শ্রমিককে আটক করে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। আগের রাতেই রাজ্য ও জেলার সীমানা সিল করে দিয়ে শ্রমিকদের আটকানোর পরামর্শ দিয়েছিল কেন্দ্র। সেই সিদ্ধান্ত মেনে জামালপুরের জৌগ্রামেই ৪২৫ জন শ্রমিককে আটকানো হয়। তাঁরা কেউ পায়ে হেঁটে মুর্শিদাবাদ, কেউ ঝাড়খণ্ড, কেউ বিহারে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁদের স্থানীয় একটি স্কুল বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। দু বেলা খাবার, প্রয়োজনের পানীয় জল দেওয়া হচ্ছে। নিয়মিত তাঁদের হাত স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করানো হচ্ছে। এই শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বাইরে থেকে এ জেলায় কাজ করতে এসে কয়েক শো শ্রমিক আটকে রয়েছেন। তাঁরা মূলত আলু তোলার কাজ করতে এসেছিলেন। বাস-ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায়  তাঁরা ফিরতে পারেননি। এদিকে মাঠের কাজও শেষ। শুধু মেমারিতেই এমন ৪০০ শ্রমিক রয়েছে। এছাড়াও জামালপুর, রায়না, মন্তেশ্বর-সহ গোটা জেলা মিলিয়ে সংখ্যাটা কম নয়। তাঁরা আপাতত মনিবের আশ্রয়ে রয়েছেন। প্রশাসন তাদের জন্য চাল, ডাল, তেল, আলু সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রয়োজনে তাঁদেরও কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।

Saradindu Ghosh

Published by:Rukmini Mazumder
First published: