corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে কারখানার কর্মরত শ্রমিকদের আর্থিক অবস্থা প্রায় তলানিতে

লকডাউনে কারখানার কর্মরত শ্রমিকদের আর্থিক অবস্থা প্রায় তলানিতে

মালিক শ্রমিক অসন্তোষ লেগেই রয়েছে। লকডাউন এর জেরে বন্ধ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলিতে বন্ধ উৎপাদন।

  • Share this:

#বারাকপুর: বারাকপুর শিল্পাঞ্চল মানেই জুট মিল, কাপড়ের মিল, এছাড়াও রয়েছে ছোট, মাঝারি ও বড়ো কারখানা। কাঁচরাপাড়া থেকে শুরু করে বরানগর পর্যন্ত হুগলি নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছিল শতাব্দী প্রাচীন ১৬ টি জুট মিল। প্রতিটি মিলেই কাজ করতো হাজার হাজার শ্রমিক। গড়ে এক একটি মিলে ৩ থেকে ৪ হাজার স্থায়ী-অস্থায়ী শ্রমিক কাজ করতেন। এখন ১০ টি জুটমিল চলছে কোনও রকমে।

অধিকাংশ মিল শ্রমিকদের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষোভ প্রভিডেন্ট ফান্ড গ্রাচুইটি এমনকি মায়না ঠিক মতন পান না শ্রমিকরা। মালিক শ্রমিক অসন্তোষ লেগেই রয়েছে। লকডাউন এর জেরে বন্ধ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলিতে বন্ধ উৎপাদন। আগরপাড়ায় টেক্সমাতে স্থায়ী অস্থায়ী কর্মী মিলিয়ে কাজ করেন ৫ হাজার শ্রমিক । এইসব কারখানাগুলোতে কর্মরত শ্রমিকদের আর্থিক অবস্থা প্রায় তলানিতে। জুটমিলগুলোতে এমনিতেই বছরে বেশ কিছু সময় বন্ধ থাকে তার মধ্যে লকডাউনের প্রভাব শ্রমিকদের সংসারে। ২০ এপ্রিল মিলগুলো খোলার কথা থাকলেও খোলেনি জুটমিলগুলো। মাঝেমধ্যে ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন থেকে কিছু খাবার পেলেও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে শ্রমিকরা। শুধু অপেক্ষায় কবে লকডাউন উঠবে।

টেক্সমাকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে সারি সারি গাড়ি। বিভিন্ন রাজ্য থেকে এসেছে সেই গাড়িগুলো লকডাউন আটকে গিয়েছে সে সমস্ত গাড়িচালক ও খালা শিরা। লকডাউন এ কোন কাজ হচ্ছে না। ২০ এপ্রিলের পর থেকেও কোনো কারখানা সেভাবে চালু হয়নি। কম শ্রমিক নিয়ে কাজ করার সরকারি বিজ্ঞপ্তি থাকলেও বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে কারখানাগুলোতে উৎপাদন শুরু হয়নি।ফলে আগামী দিন কিভাবে সংসার চলবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত শ্রমিকরা।

First published: April 25, 2020, 8:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर