প্রতিবাদে পথে মহিলারাও, বর্ধমান কাটোয়া রোড অবরোধ করে ফের বিক্ষোভ 

প্রতিবাদে পথে মহিলারাও, বর্ধমান কাটোয়া রোড অবরোধ করে ফের বিক্ষোভ 

প্রতিশ্রুতিই সার। রাস্তা সংস্কারের ব্যাপারে প্রশাসনের কোনও তৎপরতা নেই।

প্রতিশ্রুতিই সার। রাস্তা সংস্কারের ব্যাপারে প্রশাসনের কোনও তৎপরতা নেই।

  • Share this:

#কাটোয়া: প্রতিশ্রুতিই সার। রাস্তা সংস্কারের ব্যাপারে প্রশাসনের কোনও তৎপরতা নেই। পরিদর্শনেও আসেননি কোনও আধিকারিক। এমনই অভিযোগ তুলে সোমবার ফের বর্ধমান কাটোয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন,রাস্তা পুরোপুরি বেহাল হয়ে পড়লেও তা সারানোর কোনও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। প্রশাসনিক আধিকারিকরা এসে দ্রুত রাস্তা সারানোর কথা দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই কথা মতো কাজ হতে দেখা যাচ্ছে না। তাই এদিন ফের এই রাস্তা অবরোধ করা হলো। এদিন বিক্ষোভে অংশ নেন এলাকার মহিলারাও।

সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনেই বর্ধমানের হটুদেওয়ান এলাকায় এক ঘন্টারও বেশি সময় এই অবরোধ হওয়ায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। সমস্যায় পড়েন সড়ক যাত্রীদের অনেকেই। বাসিন্দাদের অভিযোগ,আট মাসেরও বেশি সময় বেহাল হয়ে রয়েছে বর্ধমান কাটোয়া রাজ্য সড়ক। দেওয়ানদিঘি থেকে বর্ধমান শহরে ঢোকার মুখ পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা সবচেয়ে বেহাল। দুর্ঘটনা তাই নিত্যসঙ্গী। এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা  সংস্কারের দাবিতে গত সপ্তাহেই টানা দু ঘন্টা অবরোধ করেছিলেন বাসিন্দারা। অবিলম্বে এই রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে স্লোগানও দেন তাঁরা। অবরোধের জেরে সেদিনও  রাস্তায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজটের লম্বা লেজ দুদিকে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। অবরোধ ও তার জেরে যানজটের খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ এলাকায় যায়। পুলিশ গেলেও বাসিন্দারা অবরোধে অনড় থাকেন। পরে প্রশাসনিক আশ্বাসে দু ঘন্টা পর অবরোধ ওঠে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তার পরও রাস্তা সারানোর কোনও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

বাসিন্দারা বলছেন, এর আগেও অবরোধ হয়েছে। প্রশাসনের আধিকারিকরা এসে রাস্তা সারানোর আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। রাস্তা আরও বেহাল হয়েছে। এলাকাবাসীরা জানালেন, গাড়ি ভেঙে রাস্তায় পড়ে থাকছে। টোটো উলটে যাচ্ছে। প্রতিদিনই ছোট বড় দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বেশ কয়েকজন। রাস্তায় পিচের আস্তরণ উঠে গিয়ে হাড় কঙ্কাল বেরিয়ে পড়েছিল আগেই। এখন সেখানে ছোট বড় অসংখ্য গর্তের মিছিল। গাড়ির চাকায় লেগে পাথর ছিটকে দুর্ঘটনা ঘটছে। রাস্তার ধুলোর জেরে ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। বাসিন্দারা বলছেন, গর্তের কারণে সাইকেল মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়া ঝুঁকির ব্যাপার হয়ে দাঁড়াচ্ছে। হাঁটাচলার উপায় থাকছে না। বৃষ্টি হলে বিপদ আরও বাড়ছে। কোন গর্ত কত গভীর তা অনুমান করা যাচ্ছে না। প্রাণান্তকর অবস্থা হচ্ছে অ্যাম্বুলান্সে শুয়ে থাকা সংকটাপন্ন রোগীর। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, টেন্ডার পর্ব মিটিয়ে দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু করার চেষ্টা চলছে।

Published by:Akash Misra
First published: