দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

দাহ করার পর জানা গেল মৃতা ছিলেন করোনা পজিটিভ!

দাহ করার পর জানা গেল মৃতা ছিলেন করোনা পজিটিভ!

দাহ করার পর জানা গেল রোগী ছিলেন করোনা পজিটিভ! এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমান শহরের নীলপুর এলাকায়। রোগভোগের পর স্বাভাবিক মৃত্যু ধরে নিয়ে পরিবারের হাতে মৃতদেহ তুলে দিয়েছিল বেসরকারি নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ।

  • Share this:

#বর্ধমান: দাহ করার পর জানা গেল রোগী ছিলেন করোনা পজিটিভ! এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমান শহরের নীলপুর এলাকায়। রোগভোগের পর স্বাভাবিক মৃত্যু ধরে নিয়ে পরিবারের হাতে মৃতদেহ তুলে দিয়েছিল বেসরকারি নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। রীতি মেনে আত্মীয় পরিজনেরা শ্মশানে মৃতদেহ সৎকার করেন। এরপর ওই রোগিনী করোনা পজিটিভ ছিলেন বলে রিপোর্ট আসে। শব যাত্রায় অংশ নেওয়া সকলেই এখন করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।

নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্যই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের। এ ব্যাপারে মৃতার পরিবারের পক্ষ থেকেও বর্ধমান সদর থানা ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে অভিযোগ জানানো হয়েছে। রোগী মারা গেছেন। তাঁর শ্বাসকষ্ট ছিল। মারা যাবার পর দাহও হয়ে গেছে। দাহের পর পরিজনেরা এবং শ্মশানযাত্রীরা জানতে পারছেন রোগী করোনা পজিটিভ ছিলেন। এই নিয়ে চরম উদ্বেগ আর আশংকা ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের নীলপুরে। রোগীর পুত্র গাফিলতি এবং রিপোর্ট গোপনের অভিযোগ তুলে বর্ধমান থানায় অভিযোগ করেছেন।

বর্ধমান শহরের ছোটনীলপুরের এক পৌঢ়ার মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই এই করোনা আবহে উদ্বেগ বেড়েছে। ওই মহিলা ও তাঁর পরিবারের লোকজন কর্মসূত্রে মুম্বইতে থাকতেন। গত জানুয়ারি মাসে ওই মহিলা বর্ধমানে এসেছিলেন। গত ২৫ অক্টোবর শ্বাসকষ্ট হওয়ায় তাঁকে বর্ধমানের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। ১ নভেম্বর সেখানে তিনি মারা যান। মৃত্যুর কারণ হিসেবে উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগের কথা লেখা হয়। এরপর নার্সিংহোম মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেয়। আত্মীয় ও পরিচিতরা শব যাত্রায় অংশ নেন।এরপর মৃতার পুত্র জানতে পারেন তাঁর মা কোভিড পজিটিভ ছিলেন। একটি রিপোর্টও পান তিনি। তাঁর অভিযোগ, নার্সিংহোম তাদের বিভ্রান্ত করেছে। করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট গোপন করেছে। এর ফলে তাঁরা না জেনেই পরিবার পরিজনকে নিয়ে দাহ করেছেন। নার্সিংহোমের গাফিলতির জন্য এতগুলো মানুষ সমস্যায় পড়লেন। তিনি এ ব্যাপারে উপযুক্ত তদন্তের দাবি করেছেন। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই পৌঢ়া ভর্তি থাকাকালীন নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ তাঁর নমুনা করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছিল। তাই রিপোর্ট আসা পর্যন্ত নার্সিংহোমের উচিত ছিল মৃতদেহ আটকে রাখা। এটা কোভিড বিধির মধ্যেই পড়ে। রিপোর্ট আসার আগেই সকালে মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বিকেলে ওই পৌঢ়া করোনা পজিটিভ বলে অনুমান করে পরবর্তী নমুনা চেয়ে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই মৃতদেহ দাহ করা হয়ে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা না করে মৃতদেহ পরিজনদের হাতে তুলে দিয়ে উচিত কাজ করেনি বলেই মনে করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ মিলেছে। বিষয়টির বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে।

Published by: Akash Misra
First published: November 3, 2020, 10:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर