corona virus btn
corona virus btn
Loading

ঝুড়ি বানাতে না পারলেই ডিভোর্স ! চমকে দেওয়ার মতো ঘটনা এই গ্রামে

ঝুড়ি বানাতে না পারলেই ডিভোর্স ! চমকে দেওয়ার মতো ঘটনা এই গ্রামে

দারিদ্রের মধ্যে ডুবে থাকা এই সব গ্রামের অর্থনীতি অনেকটাই নির্ভর করে মহিলাদের উপর। আর এইসব মহিলাদের উপার্জনের অন্যতম বড় ভরসা হল বাঁশের ঝুড়ি তৈরি।

  • Share this:

Venkateswar Lahiri

#কলকাতা: বাঁশের ঝুড়ি তৈরি করতে পারে না অথচ বিয়ে হয়ে গিয়েছে, তাহলে সে মেয়েকে স্বামী পরিত্যাগ করে অথবা বাপের বাড়িতে ফেলে দিয়ে চলে যায় ! না, কোনও রূপকথার গল্প নয় ,একেবারে বাস্তব ঘটনা। ঝুড়ি বানাতে না পারলেই ডিভোর্স!

বাংলা ঝাড়খণ্ডের সীমানা বরাবর একাধিক গ্রাম। এ সব গ্রামে পা রাখলেই দেখা যাবে, আদিবাসী অধ্যুষিত বোধবাঁধ গ্রাম হোক অথবা কুলতোড়া-সহ অন্যান্য গ্রাম, সবখানেই এই ছবির খুব একটা অন্যথা হয় না। কিন্তু, এই ঝুড়ি বাঁধার ছবির আড়ালে লুকিয়ে আছে এক নির্মম সত্য। কারণ এই মহিলারা ঝুড়ি বাঁধতে না পারলে তাঁদের মাথার উপরে ঝোলে বিবাহ বিচ্ছেদের খাঁড়া।

দারিদ্রের মধ্যে ডুবে থাকা এই সব গ্রামের অর্থনীতি অনেকটাই নির্ভর করে মহিলাদের উপর। আর এইসব মহিলাদের উপার্জনের অন্যতম বড় ভরসা হল বাঁশের ঝুড়ি তৈরি। এই ঝুড়ি তৈরির কাজ জানা না জানার উপরে নির্ভর করে বিয়ের সম্বন্ধ। বাঁশের ঝুড়ি তৈরি করতে পারে না অথচ বিয়ে হয়ে গিয়েছে, তাহলে সে মেয়েকে স্বামী পরিত্যাগ করে অথবা বাপের বাড়িতে ফেলে দিয়ে চলে যায় এমন উদাহরণ এইসব ছোট ছোট গ্রামে পৌঁছালেই শুনতে পাওয়া যায়।

বুঁদি মাহালী নামে এক মহিলার বিয়ে হয়েছিল পাশের গ্রামে। কিন্তু, ঝুঁড়ি বুনতে না পারায় বুঁদিকে পরিত্যাগ করে তাঁর স্বামী। বুঁদি এখন মানসিক যন্ত্রণায় প্রায় পাগল হয়ে গিয়েছেন। ঝাড়খণ্ড লাগোয়া এইসব গ্রামের মহিলারা তাই জ্ঞান হতেই লেগে পড়েন ঝুড়ি বানানোর মুন্সিয়ানা শিখে নিতে। আমাদের বাংলার বুকেই এমন সামাজিক ঘটনা সত্যি সত্যি থেকেই যায় অগোচরে। আধুনিক হচ্ছে সমাজ। তবে অনেক গ্রাম নিকষ কালো অন্ধকারেই ডুবে রয়েছে। আজও।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: December 29, 2019, 11:41 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर