দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

আতঙ্কে সুন্দরবন...আমফানের পূর্বাভাস উসকে দিচ্ছে ১১ বছর আগে আয়লার ভয়াবহ স্মৃতি

আতঙ্কে সুন্দরবন...আমফানের পূর্বাভাস উসকে দিচ্ছে ১১ বছর আগে আয়লার ভয়াবহ স্মৃতি
representative image

খুব দূরে নেই ঘূর্ণিঝড় আমফান৷ ভারতীয় হাওয়া অফিস (IMD) জানিয়ে দিল, সাইক্লোন থেকে আরও শক্তিশালী হয়ে সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয়েছে আমফান৷ সোমবার দুপুর পর্যন্ত আমফানের গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিমি৷ বঙ্গোপসাগরে দিঘা থেকে ৯২০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছে

  • Share this:

#কলকাতা: খুব দূরে নেই ঘূর্ণিঝড় আমফান৷ ভারতীয় হাওয়া অফিস (IMD) জানিয়ে দিল, সাইক্লোন থেকে আরও শক্তিশালী হয়ে সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয়েছে আমফান৷ সোমবার দুপুর পর্যন্ত আমফানের গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিমি৷ বঙ্গোপসাগরে দিঘা থেকে ৯২০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছে৷

আইএমডি জানাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড়টি আরও খানিকটা সময় নিয়ে উত্তরে সরবে৷ তারপর বাঁক নিয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে ঢুকে পড়বে৷ ২০ মে বিকেলে পশ্চিমবঙ্গের দিঘা ও বাংলাদেশের উপকূলবর্তী হাতিয়া আইল্যান্ডে মধ্যে দিয়ে আছড়ে পড়বে৷ তখন এর সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ১৮৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা৷

আমফানের পূর্বাভাষে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সুন্দরবনবাসী। মনে পড়ে যাচ্ছে আয়লার স্মৃতি! ১১ বছর আগে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি, ন্যাজাট, মিনাখাঁ, হিঙ্গলগঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকা  বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আয়লার দাপটে ছাড়খাড় হয়ে যায়। ঘর ছেড়ে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।  বিদ্যাধরী, রায়মঙ্গল, ছোট কলাগাছি-সহ বেশ কয়েকটি নদীর বাঁধ ভেঙে জল ঢুকে ভেসে গিয়েছিল অঞ্চলের পর অঞ্চল।  নদীর নোনা জল ঢুকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ফিশারির মাছ, ধানের জমি, ফসল।

আয়লার সেই ক্ষতি এখনও পূরণ হয়নি, এরমধ্যেই নতুন আতঙ্ক নিয়ে ফুঁসছে আরেক ঘূর্ণিঝড় আমফান।  একে লকডাউনের ফলে কর্মহীন এই অঞ্চলের বহু মানুষ, তারমধ্যেই  আমফানের দাপটের সম্ভাবনা চূড়ান্ত অসহায় অবস্থায় সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষজনের। অমাবস্যার ভরা কোটালে সাধারণত নদীতে জল অনেকটাই বেড়ে যায়। আর অমাবস্যার মধ্যেই যদি এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ে, তাহলে বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা থেকেই যায়।

আয়লার সময় তৎকালীন মুখমন্ত্রীর কাছে পাঁকা বাঁধের দাবি জানিয়েছিলেন হিঙ্গলগঞ্জের মানুষজন। সেই কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। হাসনাবাদ ব্লক ও হিঙ্গলগঞ্জের মধ্য ব্রিজ তৈরি হওয়ায় ও রাস্তা ভাল হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটাই  সহজ হয়েছে বলে দাবি জেলা পরিষদের সভাপতি বীণা মণ্ডলের। সেই সঙ্গে সরকারের 'জল ধর জল ভরো' প্রকল্পের জেরে নোনা এলাকায় মিস্টি জলের যোগানে সমস্যা কমেছে। তবু আমফানের কথা মাথায় রেখে ৫০ হাজার জলের পাউচ মজুত করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবনে ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে এনডিআরএফ-এর দল।

RAJORSHI ROY

Published by: Rukmini Mazumder
First published: May 18, 2020, 11:17 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर