• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • Bengali News| Birbhum Kali Pujo| বুর্জ খলিফার ভিড় থেকে শিক্ষা, বিধি মেনেই হলো দুবরাজপুরে শ্মশান কালীর বিসর্জন

Bengali News| Birbhum Kali Pujo| বুর্জ খলিফার ভিড় থেকে শিক্ষা, বিধি মেনেই হলো দুবরাজপুরে শ্মশান কালীর বিসর্জন

দুবরাজপুরের শ্মশানকালী।

দুবরাজপুরের শ্মশানকালী।

Bengali News| Birbhum Kali Pujo| বিশেষত শ্রীভৃমির বুর্জ খলিফার (Burj Khalifa) জনসমুদ্রের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগাম সতর্কতা জারি করে দেয় দুবরাজপুর থানা।

  • Share this:

#দুবরাজপুর: প্রথা মেনে একাদশীর দিন বীরভূমের দুবরাজপুরের শতাব্দী প্রাচীন শ্মশান মা কালীর বিসর্জন হলো শনিবার দুপুরে। প্রতি বছর এই শ্মশানকালীর বিসর্জন দেখতে আশেপাশের গ্ৰাম থেকে প্রায় দশ থেকে পনেরো হাজার মানুষের ভিড় হয়। কিন্তু এবছর করোনা আবোহে বিধিনিষেধ থাকায়, বিশেষত শ্রীভৃমির বুর্জ খলিফার (Burj Khalifa) জনসমুদ্রের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগাম সতর্কতা জারি করে দেয় দুবরাজপুর থানা।

কথিত আছে দাস পাড়ার মানুষই এই বিসর্জন করে আসছে বহু বছর ধরে। কথিত আছে একসময় ঝাঁটা দেখিয়ে, গালিগালাজ করে মন্দির থেকে মাকে বের করা হতো। কিন্তু বর্তমানে এখন এই বিসদৃশ রীতি উঠে গেছে। তবে এখনও দেবীকে শেকল বেঁধে মাকে বেদি থেকে নামানো হয় এবং বিসর্জন করা হয়। পরম্পরা অনুযায়ী দাসপাড়ার লোকেই বিসর্জন করে। শ্মশানে কালী বিসর্জ কে ঘিরে দাস পরিবারের লোকেদের বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন আসে।

আরও পড়ুন-এবার ডেঙ্গি শনাক্ত! কেমন আছেন মনমোহন সিং?

মায়ের মূর্তি গড়া থেকে শুরু করে সারাবছর পুজো ও দেখাশোনার দায়িত্ব থাকে বৈষ্ণবদের হাতে আর বিসর্জনে হয় দাস পরিবারের হাত দিয়ে, এটাই পরম্পরা ভাবে চলে আসছে। ভিড় এড়াতে সময়ের অনেক বিশালাকার মায়ের মূর্তি রুজের পুকুরে বিসর্জন করা হয়।

গুরুপদ দাস জানান, এক সময় মাকে বেদীতে থেকে নামাতে গালিগালাজ করা হতো এবং ঝাঁটাও দেখানো হতো কিন্তু বর্তমান সভ্য সমাজে তা এখন হয় না। তবে এখনও মাকে শেকল বেঁধে বেদি থেকে নামানো হয়। "করোনা আবহে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে শ্মশান কালী বিসর্জন হলো। এই বিসর্জনকে কেন্দ্র করে দাসপাড়ার প্রত্যেকের বাড়িতেই আত্মীয়স্বজন আসে।  এবারের তার অন্যথা হয়নি, এবারেও দূর দুরান্ত থেকে প্রচুর মানুষ এসেছিলেন এই বিসর্জন দেখতে।

অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এই বিসর্জনকে ঘিরে ছিল পুলিশি প্রহরা।"মানুষের ভিড় থাকলেও পুলিশ বারবার অনুরোধ করেছে মাস্ক পড়ার ও হাতে স্যানিটাইজার ব্যাবহার করার। তবে আগে যেভাবে নিয়ম মেনে বিসর্জন হতো,  সেই নিয়ম এখন না থাকায় ভীড় কিছুটা হলেও কমেছে এই সময়ে।

Published by:Arka Deb
First published: