দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

আবার কি বাড়বে লকডাউন ? জল্পনা তুঙ্গে বর্ধমানে

আবার কি বাড়বে লকডাউন ? জল্পনা তুঙ্গে বর্ধমানে

২৮ জুলাই পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্দেশে সেই লকডাউন হওয়ার কথা।

  • Share this:

#বর্ধমান: শহরে লকডাউন কি বাড়বে? এই প্রশ্নঈ এখন ঘুরছে বাসিন্দাদের মনে। করোনার সংক্রমণে রাশ টানতে গত বুধবার থেকে বর্ধমান শহর জুড়ে একটানা লকডাউন চলছে। আগামী মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্দেশে সেই লকডাউন হওয়ার কথা। তার সঙ্গে বুধবার আবার রাজ্য জুড়ে লকডাউন। তাই গত বুধবার থেকে টানা ৮ দিন লকডাউন চলবে বর্ধমান শহর জুড়ে। এই সময়কালের মধ্যে চিকিৎসা ও জরুরি পরিষেবা ছাড়া অন্য কোনও দোকান, শপিং মল, সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলতে দেওয়া হচ্ছে না। যান চলাচল সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ রয়েছে। রাস্তায় ফল বা সবজির পসরা বসতে দেওয়া হচ্ছে না। সবজি বাজারগুলি খোলা রাখার সময়সীমা কমিয়ে আনা হয়েছে। কিছু কিছু এলাকায় সপ্তাহে তিন দিন বাজার বসেছে। একবেলার বেশি বাজার বসতে দেওয়া হচ্ছে না। তাই বাজারে অনেক বিক্রেতাও এখন বেচাকেনা বন্ধ রেখেছেন। বাসিন্দাদের মনে এখন প্রশ্ন, বুধবারের পর কি লকডাউনের হাত থেকে মুক্তি মিলবে? খোলা যাবে দোকানপাট? নাকি এই লকডাউনের সময়সীমা আরও বাড়ানো হবে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে,পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আজকালের মধ্যেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। একটানা লকডাউন করে করোনার সংক্রমণকে কতটা আটকানো সম্ভব হল, এই সময়কালের মধ্যে কতজন আক্রান্ত হলেন, কোন এলাকায় সংক্রমণের ব্যাপকতা কতটা সেসব তথ্য খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকলে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে বলেও জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর মিলেছে।

বুধবার থেকে রবিবার পর্যন্ত ৫ দিন একটানা লকডাউন চলেছে বর্ধমান শহর জুড়ে। আজ, সোমবারও লকডাউন চলছে। ২১ জুলাই রাতে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। ওইদিন শহরে ২৮ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। ২১ জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত ৬ দিনে বর্ধমান শহর ও তার আশপাশ এলাকায় নতুন করে ৮১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে শুধুমাত্র বর্ধমান শহর এলাকাতেই ৫২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জনের। এছাড়া বর্ধমান শহর লাগোয়া বর্ধমান এক নম্বর ব্লকে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১৭ জন। বর্ধমান দু'নম্বর ব্লকে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ জন। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় বর্ধমান শহরে সাতজন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে একজনের। বর্ধমান এক নম্বর ব্লকে পাঁচ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে চারজন রায়ান এলাকার, একজন সরাইটিকর এলাকার বাসিন্দা।

এই পরিসংখ্যান দেখে অনেকেই এখনও কয়েক দিন লকডাউন চালিয়ে যাওয়া জরুরি বলেই মনে করছেন। তাঁরা বলছেন, লকডাউনে অনেকের বিশেষত গরিব, নিম্ন মধ্যবিত্ত সহ অনেকের খুবই সমস্যা হচ্ছে। তবুও সকলের স্বার্থে লকডাউন চালিয়ে যাওয়া দরকার। লকডাউন উঠে গেলে রাস্তায় ভিড় বাড়বে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা শিকেয় উঠবে। তার থেকেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে করোনার সংক্রমণ। যেভাবে প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে তাতে আরও কয়েক দিন লকডাউন চালানো প্রয়োজন বলেই মনে করছেন তাঁরা।

Saradindu Ghosh

Published by: Ananya Chakraborty
First published: July 28, 2020, 8:51 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर