corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিশ্বভারতীর নিরাপত্তায় কি কেন্দ্রীয় বাহিনী? আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের

বিশ্বভারতীর নিরাপত্তায় কি কেন্দ্রীয় বাহিনী? আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের

প্রসঙ্গত এর আগে ও বিশ্বভারতীতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েনের জন্য একাধিকবার কর্তৃপক্ষ চিঠি দিয়েছে। বিশেষত মিউজিয়ামের নিরাপত্তা বা ক্যাম্পাসের মূল প্রশাসনিক ভবন বিশেষত এই তথ্যগুলি নিরাপত্তা কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে রাখার জন্য একাধিকবার কেন্দ্রের কাছে দরবার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

  • Share this:

#বোলপুর: এবার কি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে? অন্তত সোমবারের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত সেই জল্পনায় উসকে দিল। সোমবার বিশ্বভারতীতে পৌষ মেলার মাঠে পাঁচিল তোলাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক গন্ডগোল ভাঙচুর চালানো হয় গোটা এলাকায়। তার জেরে তড়িঘড়ি বিশ্বভারতীর উপাচার্য জরুরী ভিত্তিতে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক ডাকার সিদ্ধান্ত নেন। সেই বৈঠকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্বভারতী বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি আরও এক গুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিনের বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের  ক্যাম্পাস জুড়ে নিরাপত্তা সমস্যা সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার বিষয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকের রেজুলেশনের ১০ নম্বর পয়েন্টে উল্লেখ করা হয়েছে সোমবারের ঘটনায় পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। বিশ্বভারতীতে ভাঙচুর চালানো সময় পুলিশ সুপার, জেলা শাসককে বার বার ফোন করা হলেও তারা ফোন ধরেননি। এমনকি ক্যাম্পাসের মধ্যেই দুটি পুলিশ থানা সত্ত্বেও ভাঙচুর চলাকালীন কোনও পুলিশকর্মীকে দেখা যায়নি । তাই ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা সামলানোর জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন বলেই সোমবারের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকে আলোচনা থেকে উঠে আসে।

সোমবারের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আশা মুখোপাধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি দেবেন। প্রসঙ্গত এর আগে ও বিশ্বভারতীতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েনের জন্য একাধিকবার কর্তৃপক্ষ চিঠি দিয়েছে। বিশেষত মিউজিয়ামের নিরাপত্তা বা ক্যাম্পাসের মূল প্রশাসনিক ভবন বিশেষত এই তথ্যগুলি নিরাপত্তা কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে রাখার জন্য একাধিকবার কেন্দ্রের কাছে দরবার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তবুও কেন্দ্রের তরফে কোন সবুজ সঙ্কেত পাওয়া যায়নি। আবার অনেক ক্ষেত্রও বিশ্ববিদ্যালয় পরিকল্পনা করলেও তা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত করতে পারিনি খরচের নিরিখে। কিন্তু সোমবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস জুড়ে যে তান্ডবলীলা চলেছে তার জেরেই এবার ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে দেওয়ার জন্যই তোড়জোড় শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার সকালে মেলার মাঠ ঘাট প্রতিবাদে এলাকার হাজার খানেক মানুষ ভাঙচুর চালান বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অফিসে। ভাঙা হয় বিশ্বভারতীর একটি গেটও। জেসিবি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় সদ্য শুরু হওয়া পাঁচিলের ভেতরের অংশ। বিক্ষুব্ধ জনতা বন্ধ করে দেয় নির্মাণ কাজ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ শুরু হয়েছে। তারই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য যেহেতু প্রধানমন্ত্রী তাই আচার্যকে গোটা ঘটনা সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফের লিখিত আকারে পাঠানো হচ্ছে আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীকে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার এর মধ্যেই গোটা ঘটনা লিখিত আকারে আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হবে। যদিও এই বিষয়ে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

Somraj Bandopadhyay

Published by: Elina Datta
First published: August 18, 2020, 4:10 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर