corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্ত্রীর গায়ে আগুন লাগিয়ে বাথরুমে ঢোকাল স্বামী! দরজা বন্ধ করে রাখল শ্বশুর-শাশুড়ি

স্ত্রীর গায়ে আগুন লাগিয়ে বাথরুমে ঢোকাল স্বামী! দরজা বন্ধ করে রাখল শ্বশুর-শাশুড়ি
প্রতীকী চিত্র।
  • Share this:

Saradindu Ghosh

#খণ্ডঘোষ:  করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের মাঝেই এক গৃহবধূকে পুড়িয়ে মেরে ফেলার চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটল পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ থানার চা গ্রাম এলাকায়। ওই গৃহবধূর নাম আঁখি সই। বাপের বাড়ি খণ্ডঘোষ থানার বেড়ুগ্রাম পঞ্চায়েতের কালনা গ্রামে। ছ’বছর আগে খণ্ডঘোষ ব্লকের উখরিদ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত চা গ্রামের বাসিন্দা কুন্তল সই নামে এক যুবকের সঙ্গে আঁখির বিয়ে হয়। তাঁদের একটি তিন বছরের একটি শিশুকন্যাও রয়েছে। গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, গত দু'বছর ধরে তাঁদের মেয়ের উপর শারীরিক এবং মানসিকভাবে অত্যাচার করছে তাঁর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন। আজ আঁখির শ্বশুরবাড়ির লোকজন এবং তাঁর স্বামী নিজে আঁখিকে মারধর করে এবং বাড়ির মধ্যে থাকা বাথরুমের ভিতরে নিয়ে গিয়ে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।  বাথরুমের দরজা বাইরে থেকে লক করে দেয় শ্বশুর বাড়ির লোকজনেরা। বেশ কিছুক্ষণ আগুন জ্বলার পর বিষয়টি এলাকাবাসীদের নজরে আসে। এলাকার বাসিন্দারা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। ওই গৃহবধূকে বাথরুমের ভেতর থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, তাঁদের মেয়েকে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। কন্যা সন্তান হওয়ার পর থেকেই এই নির্যাতন শুরু হয়েছিল। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মহিলার অবস্থা  আশঙ্কাজনক। শরীরের অনেকটাই পুড়ে গিয়েছে। চিকিৎসা শুরু রয়েছে। গোটা ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তার কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে মহিলার বাপের বাড়ির আত্মীয়দের আশ্বস্ত করেছে পুলিশ। এদিকে ঘটনার পর থেকেই পলাতক স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

Published by: Simli Raha
First published: April 8, 2020, 5:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर