Ghatal: মেয়ে কার? দুই মায়ের টানাপোড়েনে কিশোরীর ঠাঁই হল সরকারি হোমে

হঠাৎ ১৩ বছর পর মেয়ের দাবি নিয়ে দেবু দোলুই-এর বাড়িতে হাজির খড়ার পুরসভার বাসিন্দা রকি সামন্ত ও তার স্ত্রী ইতু সামন্ত। কিন্ত এত বছর তারা কোথায় ছিলেন?

হঠাৎ ১৩ বছর পর মেয়ের দাবি নিয়ে দেবু দোলুই-এর বাড়িতে হাজির খড়ার পুরসভার বাসিন্দা রকি সামন্ত ও তার স্ত্রী ইতু সামন্ত। কিন্ত এত বছর তারা কোথায় ছিলেন?

  • Share this:

    ঘাটাল: মেয়ে কার? দুই মায়ের টানাপোড়েনে মেয়ের স্থান হল সরকারি হোমে। ঘাটালে টানটান চিত্রনাট্য। পালিত মায়ের আকুতি তাঁর কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হোক মেয়েকে।

    ঘাটাল থানার অজবনগরের বাসিন্দা দেবু দোলুই। পেশায় ভ্যানচালক। দেবু জানিয়েছেন, ২০০৮ সালে ময়রাপুকুর মোড়ের কাছে রাজ্য় সড়কের ধারে তিন বছরের এক মেয়ের কান্নার আওয়াজ পান। পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চেযেছিলেন, পারেননি। মেয়েটিকে বাড়ি নিয়ে আসেন। মেয়েকে কুড়িয়ে পাওয়ার কথা রটে যায় গ্রামে। কিন্তু মেয়ের দাবি নিয়ে কেউ আসেনি। মেয়ের নাম রাখেন পিউ।

    এপর্যন্ত সব ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ ১৩ বছর পর মেয়ের দাবি নিয়ে দেবু দোলুই-এর বাড়িতে হাজির খড়ার পুরসভার বাসিন্দা রকি সামন্ত ও তার স্ত্রী ইতু সামন্ত। কিন্ত এত বছর তারা কোথায় ছিলেন? মেয়ে হারিয়ে গিয়েছে কেন পুলিশে জানাননি। ইন্দু সামন্তের মানসিক সমস্য়া থাকায় নাকি মেয়েক ছেড়ে এসেছিলেন, কিন্তু পরে অনেক খোঁজ করেও খোঁজ পাননি বলে দাবি।

    এদিকে তেরো বছর ধরে মানুষ করার পর মেয়েকে ছাড়তে রাজি নন দেবুবাবুর স্ত্রী ছবি দোলুই। পিউ কোথায় যাবে? তাঁর ঠাঁই হল সরকারি হোমে। দু’চোখ ভরা জলে বাড়ি ছেড়ে পিউকে যেতে হয়েছে হোমে। চোখে জল অজবনগরবাসীর।

    পিউর ঠাঁই হয়েছে সরকারি হোমে। মন খারাপ খেলার সাথীদের। তাঁদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক পিউকে। কান্না ভেজা চোখে কাতর আবেদন অজবনগরবাসীর।

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: