দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বর্ধমান মেডিক্যালে নয়, পশ্চিম বর্ধমানের করোনার নমুনা পরীক্ষা এবার দুর্গাপুরে

বর্ধমান মেডিক্যালে নয়, পশ্চিম বর্ধমানের করোনার নমুনা পরীক্ষা এবার দুর্গাপুরে
Representative Image

পূর্ব বর্ধমান জেলা জুড়ে করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় পরীক্ষার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যত বেশি সম্ভব পরীক্ষা করে করোনা আক্রান্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর।

  • Share this:

আপাতত পশ্চিম বর্ধমান থেকে করোনা পরীক্ষার জন্য লালারসের নমুনা আসবে না বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে। পরিবর্তে সেই নমুনা দুর্গাপুরের সনকা হাসপাতলে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে প্রতিদিন ৬০০ করে নমুনা কলকাতায় নাইসেডে পাঠানো হচ্ছিল। সেই নমুনা গত দু'দিন ধরে নাইসেডে যাচ্ছে না। তবে দুশো নমুনা কলকাতায় পাঠানো হবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। নাইসেডে নমুনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা দেখা দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বলে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলা জুড়ে করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় পরীক্ষার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যত বেশি সম্ভব পরীক্ষা করে করোনা আক্রান্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর। পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকার প্রবণতা লক্ষ্য করে ইতিমধ্যেই এই জেলাকে পরীক্ষা বাড়ানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। প্রতিদিন গড়ে এক হাজার করে নমুনা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে। প্রথম প্রথম কলকাতায় করোনা পরীক্ষার নমুনা পাঠানো হলেও পরবর্তী ক্ষেত্রে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজেই সেই কাজ করা হচ্ছিল। কলকাতা থেকে রিপোর্ট আসতে অনেক দেরিও হচ্ছিল। সে কারণে অনেক নমুনা পরীক্ষা বকেয়া থাকছিল। নমুনা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছিল।

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে আরটিপিসিআর মেশিন চালু হওয়ার পর থেকে সেখানেই নমুনা পরীক্ষা চলছিল। কিন্তু বর্ধমান মেডিকেলে করোনা পরীক্ষা পরিকাঠামো খুব বেশি নয়। প্রতিদিন গড়ে সেখানে পাঁচশো নমুনার পরীক্ষা হতে পারে। কিন্তু এক হাজার করে দৈনিক পরীক্ষার নির্দেশ আশায় এখন জেলায় অ্যান্টিজেন টেস্টের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক বিজয় ভারতী জানান, পশ্চিম বর্ধমান থেকে বর্ধমান মেডিক্যালে প্রতিদিন গড়ে তিনশোটি করে নমুনা আসছিল। ওই নমুনা বর্ধমান মেডিক্যালে পাঠানো হচ্ছে না। তার বদলে তা দুর্গাপুরের সনকা হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে নাইসেডে ছশো নমুনা যাচ্ছিল। এখন সেখানে দুশোটি করে নমুনা যাচ্ছে। বাকি চারশো নমুনা যাচ্ছে আরজিকর হাসপাতালে। জেলাশাসক জানান, লালা রসের নমুনা পরীক্ষার পাশাপাশি প্রতিদিন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে ব্যাপকভাবে অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে। তাতে দ্রুত রিপোর্ট মিলছে।

SARADINDU GHOSH

Published by: Arindam Gupta
First published: August 17, 2020, 7:21 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर