Home /News /south-bengal /
Viral Maduli Baba|| জালিয়াতি, বুজরুকির দিন শেষ! হলদিয়ার করোনারোধী 'মাদুলি বাবা'কে শ্রীঘরে পাঠাল আদালত

Viral Maduli Baba|| জালিয়াতি, বুজরুকির দিন শেষ! হলদিয়ার করোনারোধী 'মাদুলি বাবা'কে শ্রীঘরে পাঠাল আদালত

মাদুলি বাবা।

মাদুলি বাবা।

Muduli baba surrendered in court after 7 days: অবশেষে হলদিয়া মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন প্রতারক 'মাদুলি বাবা'। বিচারক 'মাদুলি বাবা' সৈয়দ আবদুল কাদেরকে তিনদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

  • Share this:

    #হলদিয়া: অবশেষে হলদিয়া মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন প্রতারক 'মাদুলি বাবা'। বিচারক 'মাদুলি বাবা' সৈয়দ আবদুল কাদেরকে তিনদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। করোনা সংক্রমণ রুখতে তাঁর দাওয়াই ছিল মাদুলি! হলদিয়ার চড়া দামে মাদুলি বিক্রির অভিযোগ উঠতে শুরু করে। নিউজ এইট্টিন বাংলায় সেই বুজরুকির খবর প্রকাশ হতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। কিন্তু পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে মাদুলি বাবা এলাকা ছেড়ে পালান। শেষমেশ আজ হলদিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর হয়ে আইনজীবী জামিনের আবেদন করলে তা খারিজ হয়ে যায়। সৈয়দকে তিনদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ২৭ জানুয়ারি ফের তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।

    নিউজ এইট্টিন বাংলার খবরের জেরে হলদিয়ায় মাদুলি বাবা-র গ্রামে গিয়েছিল পুলিশ, পঞ্চায়েত প্রশাসন এবং বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা। করোনা তাড়াতে মাদুলির ওপর কখনই যে ভরসা করা যায় না, সেটা বোঝাতেই সুতাহাটায় সৈয়দ আবদুল কাদেরের গ্রামে এবং বাড়িতে যায় সুতাহাটা থানা পুলিশ। গোটা বিষয়টি নিয়ে পুলিশ এবং ব্লক ও বিডিও প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এলাকায় এলাকায় সচেতনতা প্রচারও শুরু করেন বিজ্ঞানকর্মীরাও। প্রচার শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতি।

    আরও পড়ুন: পুলিশ যেতেই ফেরার মাদুলি বাবা! News18 বাংলার খবরের জেরে বন্ধ বুজরুকি

    করোনা ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে হলদিয়ায় মাদুলি কেনাবেচা চলছে, এই খবর গত রবিবার নিউজ এইট্টিন বাংলায় সম্প্রচারিত হয়। যা দেখে প্রশ্ন তোলেন যুক্তিবাদীরা। তৎপর হয় পুলিশ, পঞ্চায়েত, প্রশাসন থেকে সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সকলেই। করোনার জন্য অব্যর্থ দাওয়াই মাদুলি- এই মর্মে বিজ্ঞাপনী প্রচারকে সামনে রেখেই মাদুলি বিক্রি চলছিল হলদিয়ার গ্রামে-গ্রামে। গলায় মাদুলি ঝোলান-আর করোনা ভাল করুন-লেখা সাইন বোর্ড প্রকাশ্যে টাঙিয়ে ছিলেন হলদিয়ার সুতাহাটার সৈয়দ আবদুল কাদের। দাবি করতেন, বাড়ির ভেতরে একটা মাদুলি ঝুলিয়ে রাখার সঙ্গে-সঙ্গে গলাতেও একটা মাদুলি পরলেই করোনা ভাইরাস দূরে চলে যাবে!

    আরও পড়ুন: আধার-মোবাইল জুড়তে কিনতে হবে গঙ্গাজল? হুগলির পোস্ট অফিসে আজব নিয়ম, বিক্ষোভ

    ৭৭ বছরের আবদুল কাদেরের অদ্ভুত দাবিতে সাড়া দিয়েছিলেন গ্রামের মানুষজন। লোকমুখে প্রচার হয়ে য়াওয়ায় যাতায়াত শুরু হয়েছিল দূর-দূরান্তের মানুষেরও। চলছিল মাদুলি কেনাবেচা। মাদুলির দাম এক হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা। দরিদ্রদের জন্য কম টাকায়ও নিচ্ছেন বলে দাবি করেন। তিনি দাবি করতে থাকেন, কেউ বিশ্বাস করুন বা না করুন, তাঁর দেওয়া মাদুলি করোনা রুখতে অব্যর্থ মহৌষধী। যদিও করোনা ঠেকাতে মাদুলির প্রয়োগ ভুল বলেই দাবি করছন চিকিৎসক এবং বিজ্ঞান কর্মীরা। যুক্তিবাদীদের কথায়, মাদুলির বিষয়টি পুরো বুজরুকি!

    Sujit Bhoumik

    Published by:Shubhagata Dey
    First published:

    Tags: Fraud, Haldia

    পরবর্তী খবর