'পাগলা গারদে সব পাগল থাকে না, কিছু বাইরেও থাকে,' রাজ্যপালকে কটাক্ষ অধীরের

'পাগলা গারদে সব পাগল থাকে না, কিছু বাইরেও থাকে,' রাজ্যপালকে কটাক্ষ অধীরের
কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী

তিনি বলেন, 'বিংশ শতাব্দীতে নয়, উড়ন্ত যান ব্যবহার করা হয়েছিল রামায়ণেও।' এর আগে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বলেছিলেন মহাভারতের যুগে ইন্টারনেটের ব্যবহার ছিল।

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে 'পাগল' বলে কটাক্ষ করলেন কংগ্রেস সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী৷ সোমবার ইঞ্জিনিয়ারিং ফেয়ারের অনুষ্ঠানে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, অর্জুনের তিরে ছিল পরমাণু অস্ত্রের শক্তি ছিল। তিনি বলেন, 'বিংশ শতাব্দীতে নয়, উড়ন্ত যান ব্যবহার করা হয়েছিল রামায়ণেও।' এর আগে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বলেছিলেন মহাভারতের যুগে ইন্টারনেটের ব্যবহার ছিল।

রাজ্যপালের মন্তব্য নিয়ে বুধবার বসিরহাটে টাউনহলে সাংবাদিকদের অধীর বলেন, 'অর্জুনের তিরে যদি পরমাণু বোমা থাকে, তা হলে আর এত রিসার্চ করার কি দরকার ছিল৷ ধনখড়কে বলতে হবে, সেই রকম একটা তির মোদির হাতে দিতে, যাতে এক তিরেই পাকিস্তানকে উড়িয়ে দেবে৷ পাগলা গারদে সব পাগল থাকে না৷ কিছু পাগল বাইরেও থাকে৷ আমাদের ধনখড় সাহেব এমনই একজন পাগল, যিনি বাইরে থাকেন৷'

পুরাণবিদ-সাহিত্যিক নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়িও রাজ্যপালকে 'সর্বজ্ঞ' বলে কটাক্ষ করলেন। তাঁর কথায় 'মহাভারতে পরমাণু অস্ত্রের মত শব্দের কোনও উল্লেখ নেই। ব্রহ্মাস্ত্র, পাশুপত অস্ত্রের কথা আছে। পৃথিবী ধ্বংস করা যেতে পারে এই অস্ত্রগুলোর মাধ্যমে তা বলা আছে। অর্জুন পাশুপত অস্ত্র লাভ করেছিলেন মহাদেবের থেকে আর ব্রহ্মাস্ত্র লাভ করেছিলেন দ্রোণাচার্যের থেকে। কিন্তু তা মানুষের ওপর প্রয়োগ করতে বারণ করে ছিলেন। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজ্যপাল যা বিচার করেছেন তার কোনও মানে নেই। মহাকবির কল্পনা এগুলো। তখনকার দিনে বিমান ছিল না, পরমাণু অস্ত্র ছিল না । আমাদের পৌরাণিক বিষয়ে অতিশয় বর্ণনার নিদর্শন আছে। যেমন দশরথ ১০ হাজার বছর বেঁচে ছিলেন, তার মানে সাধারণ মানুষের থেকে তার আয়ু বেশি ছিল, ১০ হাজার বছর বেঁচে ছিলেন এমন নয়। ব্রহ্মাস্ত্র এবং পাশুপত অস্ত্রের ক্ষমতা ছিল অন্যান্য অস্ত্রের থেকে বেশি। তেমন ভাবেই পুষ্পক রথকে বিমান হিসেবে ভেবে নেওয়ারও কোনও বৈজ্ঞানিক বা ইতিহাস গত যৌক্তিকতা নেই।'

First published: January 15, 2020, 6:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर