• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ‘‘ দেশের মধ্যেই যুদ্ধ লাগানোর চেষ্টা, গণতন্ত্রের কালো দিন ’’: মুখ্যমন্ত্রী

‘‘ দেশের মধ্যেই যুদ্ধ লাগানোর চেষ্টা, গণতন্ত্রের কালো দিন ’’: মুখ্যমন্ত্রী

সেনা নজরদারিতে আরও আক্রমণাত্মক তিনি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এবার কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।

সেনা নজরদারিতে আরও আক্রমণাত্মক তিনি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এবার কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।

সেনা নজরদারিতে আরও আক্রমণাত্মক তিনি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এবার কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা:  নোট বাতিলের প্রতিবাদে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই আন্দোলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। এবার সেনা নজরদারিতে আরও আক্রমণাত্মক তিনি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এবার কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। রাজ্যের বিভিন্ন টোল প্লাজায় সেনা নজরদারির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাতে নবান্নেই থেকে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকালেও বেরোননি নবান্ন থেকে ৷

    তিন দিন ধরে দ্বিতীয় হুগলি সেতু, পালসিট, ডানকুনি-সহ বেশ কয়েকটি টোল প্লাজায় সেনা নজরদারি চলছে। যা নিয়ে সেনা-রাজ্য সংঘাত তুঙ্গে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যের দিকে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর টোল প্লাজায় কিছুক্ষণ সেনা নজরদারি বন্ধ থাকে। তবে রাত দশটার পর ফের তা চালু হয়।

    সেনা না সরা পর্যন্ত নবান্ন পাহারা দেবেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘জাতীয় সড়কে সেনার নজরদারি ! দেশের মধ্যেই যুদ্ধ লাগানোর চেষ্টা ৷ গাড়ি দাঁড় করিয়ে জনগণকে হেনস্থা করা হয়েছে ৷ বিপর্যয় না হলে সেনা নামে না ৷ এটা সংবেদনশীল ব্যাপার ৷ মুখ্যসচিবকে বলেছি কেন্দ্রকে চিঠি দিতে ৷ পালসিট ও ডানকুনির টোল প্লাজায় সেনা ৷ দেশে আর্থিক জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে কি ? এবার কি রাজনৈতিক জরুরি অবস্থা  ? সেনা নামিয়েছে কেন্দ্র ৷ জরুরি অবস্থার সময় এমন হয় ৷ রাজ্যকে কিছুই জানানো হয়নি ৷ রাজ্যকে অন্ধকারে রেখেই এটা করা হয়েছে ৷ আজ এ রাজ্যে হয়েছে, কাল অন্য রাজ্যে হবে ৷ গণতন্ত্রের কালো দিন ৷ বিপর্যয় না হলে কখনই সেনা নামে না ? এটা স্রেফ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপূরণের চেষ্টা ৷ ভয়াবহ, কালো দিনের মুখোমুখি আমরা ৷ দেশে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বাঁধাতে ভয় তৈরি করা হচ্ছে ৷ মানুষ এখন বিভিন্নভাবে বিচলিত ৷  লিখিতভাবে কেন্দ্রকে অভিযোগ জানানো হবে ৷ রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও কথা বলব ৷ ’’ 

    মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়ের অনড় মনোভাবের কথা বুঝতে পেরে রাতের দিকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু থেকে সেনা সরানো হয়। দ্বিতীয় হুগলি সেতু থেকে সরলেও পালসিটে তথ্য সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যায় সেনা। সব রাজ্যকে নিয়ে এই ঘটনার বিরোধিতার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷

    First published: