দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

'তৃণমূলের ভাঙন শুরু হয়ে গিয়েছে', লক্ষ্মীর ইস্তফায় প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের

'তৃণমূলের ভাঙন শুরু হয়ে গিয়েছে', লক্ষ্মীর ইস্তফায় প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের

কাউকে কিছু না জানতে দিয়ে আচমকা মন্ত্রীত্ব ছাড়লেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। এই খবর জানার পর চুপ থাকলেন না বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

  • Share this:

#বর্ধমান: কাউকে কিছু না জানতে দিয়ে আচমকা মন্ত্রীত্ব ছাড়লেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। হাওড়ার জেলাসভাপতির পদও ছাড়লেন তিনি। বিজেপি যখন বলছে তৃণমূলে কাজ করা যাচ্ছে না তাই একে একে বেরোচ্ছেন অনেকে, তৃণমূল মেনে নিচ্ছে লক্ষ্মীর ইস্তফা বড় ধাক্কা।  যে কারণেই পদ ছেড়ে থাকুন তা নিয়ে ভাবতে বাধ্য তৃণমূল। এই খবর জানার পর চুপ থাকলেন না বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

বর্ধমানে এসে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, " ওদের ভাঙন শুরু হয়ে গেছে। আমাদের লোকেদের উপর আক্রমণ করতে গিয়ে এখন ওরা নিজেদের লোকদেরই হারিয়ে ফেলছে।  ডিসেম্বর থেকে ওদের ভাঙন শুরু হবে বলেছিলাম সেইমতো তা শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রতিষ্ঠা দিবসেও তাদের পার্টি ভেঙেছে।যাদের জোর করে বা অন্যভাবে আটকে রাখতে চেয়েছিল তারা এখন মুক্তি চাইছেন। লক্ষ্মীরতন শুক্লার পদত্যাগ সেটারও একটা কারণ হতে পারে। "

এদিন বর্ধমানের কুড়মুনে একটি জনসভা করতে এসেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। সেই সভায় যোগ দিতে যাওয়ার আগে বর্ধমানের উল্লাসে সাংসদ সুনীল মন্ডলের বাড়িতে যান দীলিপবাবু। সেখানে তিনি বিশেষ বৈঠক করেন সেই বৈঠক শেষ করে জনসভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় নিউজ এইট্টিন বাংলার কাছে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তিনি।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে দুয়ারে সরকার শিবির থেকে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড সংগ্রহ করেন। এ ব্যাপারে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, "এটা নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। এই নাটক করে কোনও লাভ হবে না। নোটবন্দির সময় আমরা দেখেছিলাম রাহুল গান্ধি লাইনে দাঁড়িয়ে এটিএম থেকে টাকা তুলেছিলেন। রাহুল গান্ধীর কি টাকা ছিল না? সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাদের প্রাপ্তির ব্যাপার নেই। কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্প থেকে রাজ্যের বাসিন্দাদের বঞ্চিত করলেন এতদিন। এখন রাজি হয়েছেন। এতদিন হন নি কেন? দেশের বাকি সব রাজ্যের নয় কোটি মানুষ এর ফলে উপকৃত হয়েছেন। চোদ্দ হাজার টাকা করে এতদিন পেয়ে যেতেন এ রাজ্যের কৃষকরাও। পঁচাত্তর লক্ষ মানুষ এতদিন বঞ্চিত হলেন। তাই এখন আর লাইনে দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে কোনও লাভ হবে না।"

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ সফরের নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, "পার্টিতে আর কতজন লোক রয়েছে তা দেখতেই বোধহয় তিনি উত্তরবঙ্গ গিয়েছেন।" স্বাস্থ্য সাথী কার্ড প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, "এসব কার্ড দিয়ে কিছু হবে না। মানুষকে ওষুধ, চিকিৎসার পরিকাঠামো দিতে হবে। বেসরকারি হাসপাতাল ওইসব কার্ডকে কোনও পাত্তাই দিচ্ছে না। সিঙ্গুরের কৃষকদেরও কাগজ দেওয়া হয়েছিল। সেই কাগজ নিয়ে কি তারা চাষ করতে পারছে? জমিতো পাথর হয়ে রয়েছে। তাই কার্ড ধরিয়ে লাভ নাই। প্রকৃত পরিষেবা বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দরকার ছিল।" তৃণমূলের বিরুদ্ধে এমন নানা অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।

Saradindu Ghosh

Published by: Piya Banerjee
First published: January 5, 2021, 8:23 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर