Adhir Chowdhury : "করোনা নিয়ন্ত্রণে এলেই হোক বাকি দফার ভোট," কমিশনকে চিঠি দিয়ে আর কী বললেন অধীর চৌধুরী?

Adhir Chowdhury : "করোনা নিয়ন্ত্রণে এলেই হোক বাকি দফার ভোট," কমিশনকে চিঠি দিয়ে আর কী বললেন অধীর চৌধুরী?

সময় থাকতে দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিক নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সুশীল কুমারকে চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী।

সময় থাকতে দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিক নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সুশীল কুমারকে চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী।

  • Share this:

    #কলকাতা :একদিকে বন্ধ হচ্ছে না নির্বাচনী প্রচার, সভা, রোড শো। অন্যদিকে ক্রমশ বিকট আকার ধারণ করছে করোনা সংক্রমণ। দিনে দিনে রেকর্ড ভাঙ্গছে আক্রান্তের সংখ্যা। জারি হয়েছে একাধিক করোনা সতর্কীকরণ। নির্বাচনী প্রচারেও জারি হয়েছে একাধিক নিষেধাজ্ঞা। কমানো হয়েছে সময়। কিন্তু প্রচার নিষিদ্ধ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি লিখে আপাতত নির্বাচন বন্ধ রাখার আর্জি জানালেন কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)। তিনি লেখেন, "আগে মানুষের জীবন, নির্বাচন পরেও করা যেতে পারে"। চিঠিতে রমজান ও করোনা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসার পরেই বাংলায় নির্বাচন করার আবেদন জানান অধীর।

    বাংলায় বাড়তে থাকা করোনা সংক্রমণ দেখে আগেই নির্বাচনী প্রচার, জনসভা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বামেদের দল। তারপর সেই একই পথে হেঁটেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও। আগেই নির্বাচন কমিশনকে বাকি তিন দফার ভোট সংযুক্ত করার কথা বলেছিলেন মমতা। কিন্তু কমিশন তাতে নিরুত্তর থাকায় নিজের প্রচার সভায় নিজেই রাশ টেনেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। রবিবার রাতে নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে ডেরেক ও ব্রায়েন ট্যুইট করে জানান, "করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কলকাতায় এখন আর নির্বাচনী সভা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধুমাত্র ২৬ শে এপ্রিল একটি প্রতীকী বৈঠক করবেন তিনি। তবে প্রচারের জন্য সব জেলায় শুধুমাত্র ৩০ মিনিটের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে"।

    এবার সেই একই কথা বলল কংগ্রেসও। সোমবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী চিঠি দিলেন নির্বাচন কমিশনকে। চিঠিতে লিখলেন, "এই করোনা অতিমারীর পরিস্থিতিতে নির্বাচন বন্ধ রাখার অনুরোধ করছি নির্বাচন কমিশনের কাছে। আগে মানুষের জীবন, তারপর অন্য সব। নির্বাচন পরেও করা যেতে পারে, মানুষকে বাঁচাতে হবে"। আরও এক ধাপ এগিয়ে পবিত্র রমজান মাস শেষ হলে এবং করোনা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হলে তারপরেই নির্বাচন করা যেতে পারে বলেও চিঠিতে আর্জি জানান অধীর। তিনি লেখেন যেহেতু মুর্শিবাদের সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গীপুরের দুই প্রার্থীর মৃত্যু ঘটেছে কোভিড আক্রান্ত হয়েই তাই সময় থাকতে দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিক নির্বাচন কমিশন। এই মর্মে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সুশীল কুমারকে চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী।

    অন্যদিকে একই দাবি জানিয়েছেন বামেরাও। ইদের পরেই সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরে পুনর্নির্বাচন করার কথা বলছেন তারা। প্রসঙ্গত, সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে আগামী ১৩ মে পুনর্নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে কমিশন। অর্থাৎ ভোটের রেজাল্ট বেরনোর পরে এই দুই কেন্দ্রে ভোট হবে। তাতেই খানিকটা ক্ষুব্ধ এখানকার ভোটাররা। অন্যদিকে, ১৩ মে ইদ। সেদিন সংখ্যালঘু ভোটাররা ভোট দিতে যেতে চাইবেন না এমনও মনে করা হচ্ছে। এই অবস্থায় বামেরাও চাইছে ভোট হোক রমজানের পরেই। এই দুই কেন্দ্রে দুই রাজনৈতিক দলের প্রার্থী করোনা সংক্রমণে মারা যাওয়াতেই ভোট বাতিল করে কমিশন। সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হক করোনা সংক্রমিত হয়ে মারা গিয়েছেন। অন্যদিকে জঙ্গিপুর কেন্দ্রের আরএসপি প্রার্থী প্রদীপ নন্দীও করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published:

    লেটেস্ট খবর