অত্যন্ত গোপনীয়তায় আগামিকালই অকাল বসন্ত উৎসব! বিশ্বভারতীর ইতিহাসে এই প্রথম

অত্যন্ত গোপনীয়তায় আগামিকালই অকাল বসন্ত উৎসব! বিশ্বভারতীর ইতিহাসে এই প্রথম

বসন্ত উৎসব এ বছরে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত গোপনে করতে চলেছে দোলযাত্রার আগেই। তা নিয়ে ক্ষুব্ধ শান্তিনিকেতনের প্রবীণ বাসিন্দা থেকে আশ্রমিক সকলেই।

বসন্ত উৎসব এ বছরে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত গোপনে করতে চলেছে দোলযাত্রার আগেই। তা নিয়ে ক্ষুব্ধ শান্তিনিকেতনের প্রবীণ বাসিন্দা থেকে আশ্রমিক সকলেই।

  • Share this:

     Indrajit Ruj

    #শান্তিনিকেতন: বিশ্বভারতীর ইতিহাসে এই প্রথমবার দোল যাত্রার আগেই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আম্রকুঞ্জের গৌড় প্রাঙ্গণে হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী বসন্ত উৎসব। বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সূত্রের খবর ১৬ মার্চ সকাল আটটায় গৌড় প্রাঙ্গণের মঞ্চে ‘ওরে গৃহবাসী খোল দ্বার খোল’ রবীন্দ্র সংগীত গানের মধ্যে দিয়ে অত্যন্ত গোপনে হতে চলেছে এবারের বসন্ত উৎসব। ১৫ মার্চ সন্ধ্যা ন’টায় বৈতালিকের মাধ্যমে শুরু হয়ে গিয়েছে এ বছরের বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠান। ধারাবাহিকতা মেনেই যেমন অনুষ্ঠান হয়ে এসেছে বিগত বছরগুলোতে তেমনই অনুষ্ঠান হতে চলেছে শান্তিনিকেতনে। গতবারের করোনাভাইরাসের প্রকল্পের কারণে বসন্ত উৎসবের মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বসন্ত উৎসব।

    সেই বসন্ত উৎসব এ বছরে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত গোপনে করতে চলেছে দোলযাত্রার আগেই। তা নিয়ে ক্ষুব্ধ শান্তিনিকেতনের প্রবীণ বাসিন্দা থেকে আশ্রমিক সকলেই। বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, গুটিকয়েক অধ্যাপক অধ্যাপিকা ও বিশ্বভারতীর উপাচার্যর উপস্থিতিতেই এ বছর হতে চলেছে বসন্ত উৎসব। বসন্ত উৎসবে বাইরের কোনও ব্যক্তি বা পর্যটক কেউই প্রবেশ করতে পারবেন না। শুধুমাত্র সঙ্গীত ভবনের যে সকল ছাত্র ছাত্রীরা নাচ ও রবীন্দ্র সংগীত গানের মহড়া দিয়েছে তাঁরা ছাড়া আর কেউই এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না। ‘ওরে গৃহবাসী খোল দ্বার খোল’ গানের মধ্যে দিয়ে গতকাল সকাল আটটায় শুরু হতে চলেছে শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী উৎসব বসন্ত উৎসব।

    বেশ কিছু সঙ্গীত এর পর সন্ধ্যায় গৌড় প্রাঙ্গণের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে রবীন্দ্র গীতিনাট্য ‘চিত্রাঙ্গদা’। শান্তিনিকেতনের প্রবীণা আশ্রমিক ও বাসিন্দারা  জানিয়েছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিশ্বভারতীকে একনায়কতন্ত্রে পরিণত করেছেন, তিনি যা চাইছেন যা ইচ্ছা তাই করছেন। এতদিন বিশ্বভারতীতে দোলযাত্রার দিনে হত বসন্ত উৎসব তার ১৫ দিন আগে করা হত বসন্ত বন্দনা । এই সমস্ত অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ চেয়ে ছিলেন সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে, উপাচার্য রবীন্দ্রবিরোধী তাই সাধারণ মানুষের সামনে এই অনুষ্ঠান না করে গোপনে করছেন । কী কারণে এত গোপনীয়তা উপাচার্যের তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শান্তিনিকেতনের প্রবীণ আশ্রম থেকে বাসিন্দারা। যদিও এই বিষয়ে বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করা হলে তাঁরা কোনও কিছুর উত্তর দিতে রাজি নয়। এমনকি এই অনুষ্ঠানে কোনও সাংবাদিক ও প্রবেশ করতে পারবে না বলে বিশ্বভারতী সূত্রে জানানো হয়েছে।

    Published by:Simli Raha
    First published: