• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • Viral News|| বেনারসি-গয়না-মুকুট সাজানো, সাজের অপেক্ষায় কনে, ঠিক সেই মুহূর্তে যা ঘটে গেল!

Viral News|| বেনারসি-গয়না-মুকুট সাজানো, সাজের অপেক্ষায় কনে, ঠিক সেই মুহূর্তে যা ঘটে গেল!

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

Viral News: বেনারসি-গয়না-মুকুট সাজানো। শুরু হয়ে গিয়েছিল প্যান্ডেল বাঁধার কাজও। খবর পেয়ে আপাতত বিয়ে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল প্রশাসন।

  • Share this:

#বর্ধমান: বেনারসি-গয়না-মুকুট সাজানো। তাই কনে কোভিড পজিটিভ (Corona Positive) হওয়া সত্ত্বেও বিয়ের (Wedding) আয়োজন থামায়নি পরিবার। শুরু হয়ে গিয়েছিল প্যান্ডেল বাঁধার কাজও। খবর পেয়ে আপাতত বিয়ে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল প্রশাসন। পূর্ব বর্ধমানের (East Bardhaman) ভাতার থানার বড়বেলুন গ্রামের এই ঘটনা ঘটেছে। রবিবার বিয়ের দিন ঠিক হয়েছিল। মঙ্গলবার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট আসে পাত্রীর। তা সত্ত্বেও চলছিল বিয়ের আয়োজন। সংক্রমণ ছড়ানো আটকাতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

‘কোভিড পজিটিভ’ ধরা পড়া তরুণীর বিয়ে দেওয়া আটকাতে রাতেই বিয়ে বাড়ি ছুটে যেতে হল বিডিও এবং ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিককে। এমনই ঘটনা নিয়ে শুক্রবার রাতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বড়বেলুন গ্রামে। বিয়ে বন্ধ রাখার নির্দেশের কথা জানিয়ে দিয়ে তরুণীর বাড়ির সামনে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের পাহারায় বসিয়ে রেখে তার পর সেখান থেকে ফেরেন প্রশাসনের কর্তারা। তবে শুধু বিয়ে বন্ধ করাই নয়, তরুণীকে ১৫ দিন বাড়ি থেকে বের হতেও নিষেধ করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, স্নাতক উত্তীর্ণ   বডবেলুন গ্রামের ওই তরুণীর মঙ্গলবার 'কোভিড পজ়িটিভ' রিপোর্ট আসে। তা সত্ত্বেও পরিবারের লোকজন তাঁর বিয়ের আয়োজন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এই খবর পাওয়ার পরেই ভাতারের বিডিও অরুণ কুমার বিশ্বাস ও বিএমওএইচ  সংঘমিত্রা ভৌমিক বৈঠকে বসেন। সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে তরুণীর বাড়ি গিয়ে তাঁদের বুঝিয়ে বিয়ে আটকাবেন বলে ওই বৈঠকেই তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন।

প্রশাসনের কাছে খবর পৌঁছায় মাটির দেওয়াল ও খড়ের চালার  বাড়ির ভিতরেই জোর কদমে চলছে তরুণীর  বিয়ের শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি । এরপর আর দেরি না করে শুক্রবার সন্ধ্যার পরেই তরুণীর বাড়িতে গিয়ে বিডিও ও বিএমওএইচ আপাতত  বিয়ে বন্ধের নির্দেশের কথা পরিবারের লোকজনকে জানিয়ে দেন।

পেশায় গৃহশিক্ষক তরুণীর বাবা বিভাসরঞ্জন পাল বলেন, আগামী রবিবার মেয়ের বিয়ের দিন নির্দিষ্ট  ছিল। তার আগেই মেয়ে করোনা আক্রান্ত বলে রিপোর্ট আসে। মেয়ের  দু’টি টিকাই নেওয়া আছে। যেহেতু কোনও উপসর্গ নেই, তাই মেয়ের বিয়ে দিতে কোনও  সমস্যা হবে না ভেবেছিলাম। অনেকে তেমনটাই আশ্বস্ত করেছিলেন। আত্মীয় পরিজন পরিচিতদের নিমন্ত্রণ সাড়া হয়ে গিয়েছিল। কেনাকাটাও হয়ে গিয়েছিল। অনেক কিছুর বায়নাও দেওয়া হয়ে গিয়েছে। তাই আর পিছিয়ে আসিনি।

পাত্রীর মা চন্দনাদেবী বলেন, সব আয়োজন হয়ে গিয়েছিল। প্রশাসনের লোকজন এসে এখন বিয়ে বন্ধ রাখতে বলে গিয়েছে। কিভাবে যে আবার সবকিছুর ব্যবস্থা হবে তা ভেবে উঠতে পারছি না।

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published: