দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, হুমকি! অভিযুক্ত গৃহশিক্ষকের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল গ্রাম

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, হুমকি! অভিযুক্ত গৃহশিক্ষকের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল গ্রাম
প্রতীকী ছবি৷

বিপদ বুঝে এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় আব্দুর রহিম ওরফে ফিটু। এদিকে ফিতুর মামি পুরো ঘটনায় রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা করায় গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বাড়ে।

  • Share this:

#মুর্শিদাবাদ: স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত গৃহশিক্ষকের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল গোটা গ্রাম। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা থানার সুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ওড়াহার এলাকায়। এদিকে ঘটনা জানাজানি হতেই অভিযুক্ত আব্দুর রহিম ওরফে ফিটু নামে ওই গৃহশিক্ষক বাড়ি ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে। যদিও এই ঘটনায় অভিযুক্তকে আড়াল করার জন্য সম্পর্কে তার মামি তৃণমূল পরিচালিত  সুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত সদস্য আঞ্জুরা বিবির দিকেও আঙুল উঠেছে৷ তিনি অবশ্য যাবতীয় ঘটনার দায় চাপিয়েছে সিপিএম ও কংগ্রেসের উপর।

এতেই গ্রামবাসীদের মধ্যে আরও ক্ষোভের সঞ্চার হয় এ দিন।জঘন্যতম ঘটনার জন্য অভিযুক্ত একজন গৃহশিক্ষককে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য  প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের সামনে আড়াল করার চেষ্টায় গ্রামবাসীর মধ্যে রীতিমতো উত্তেজনা দেখা দেয় এ দিন।এদিকে ভগবানগোলা থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই নির্যাতিতা ওই নবম শ্রেণির ছাত্রীর মেডিক্যাল টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওড়াহার গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় অর হাই স্কুলের নবম শ্রেণির পড়ুয়া ওই স্কুলছাত্রীর বাবা পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক। এই মুহূর্তে তিনি ভিন রাজ্যে কর্মরত। পরিবারে তার মা ও দুই ছোট ভাইকে নিয়ে কোনওরকমে সংসার চলে তাদের। তাই মেয়ের সুশিক্ষার জন্য তাকে এলাকার ওই গৃহশিক্ষকের কাছে বিজ্ঞান বিষয়ে টিউশন নেওয়ার জন্য কয়েক মাস ধরে পাঠাচ্ছিলেন ছাত্রীর মা।এই পর্যন্ত সব ঠিক থাকলেও সম্প্রতি মেয়ের হাবভাব দেখে মাঝেমধ্যেই মার মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে  থাকে৷ স্কুলছাত্রী এই ঘটনায় এতটাও ভীত হয়ে পড়ে যে টিউশন পড়তে যাওয়ার নাম শুনলেই আঁতকে উঠতে থাকে।

এরপর এই সন্দেহ আরও দানা বাঁধতে থাকে ওই ছাত্রীর মায়ের মনে। ওই গৃহ শিক্ষক আব্দুর রহিম লাগাতার তার মেয়েকে বাড়িতে টিউশন পড়ানোর সময় সকলকে ছুটি দেওয়ার পরে  ধর্ষণ করতো বলে অভিযোগ। এমন কি এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় ওই নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে প্রাণে মারার হুমকি পর্যন্ত দেয় ওই গৃহশিক্ষক। শেষ পর্যন্ত মেয়েকে চাপ দিতেই সে সমস্ত কথা তার মাকে খুলে বলে।মেয়ের সঙ্গে লাগাতার এই ধরনের জঘন্যতম ঘটনা ঘটার কথা জানতে পেরে হতবাক হয়ে যান ওই দুঃস্থ মহিলা। তড়িঘড়ি গ্রামবাসীদের সমস্ত কথা খুলে জানান তিনি। পরে ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত গৃহশিক্ষকের ফাঁসির দাবিতে সোচ্চার হন।

বিপদ বুঝে এলাকা ছেড়ে  চম্পট দেয় আব্দুর রহিম ওরফে ফিটু। এদিকে ফিতুর মামি পুরো ঘটনায় রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা করায় গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বাড়ে। সকলেই চাইছেন দ্রুত প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্ত করে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত গৃহশিক্ষককে গ্রেফতার করে আইনের মাধ্যমে কঠোর থেকে কঠোরতম সাজা দেওয়ার ব্যবস্থা করুক।

Pranab Kumar Banerjee

Published by: Debamoy Ghosh
First published: October 20, 2020, 8:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर