জলঙ্গি কাণ্ডে ‘বাহুবলী’ তহিরউদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবিতে রাস্তায় গ্রামবাসীরা

জলঙ্গি কাণ্ডে ‘বাহুবলী’ তহিরউদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবিতে রাস্তায় গ্রামবাসীরা

পুলিশের সামনেই নেতা তহিরুদ্দিনের নেতৃত্বে গুলি ও বোমা ছোড়া হয়। দু’জনের মৃত্যু ও কয়েকজন আহত হয়েছে।

  • Share this:

Pranab Kumar Banerjee

#জলঙ্গি: জলঙ্গি কাণ্ডে ধৃত তিনজনকে শুক্রবার বরমপুর জেলা জজ আদালতে তোলা হল। ধৃতরা হল আবুল কালাম বিশ্বাস, সনাতন মন্ডল সালাউদ্দিন শেখ। এদের মধ্যে সনাতন মন্ডল ও সালাউদ্দিন শেখকে তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। আবুল কালাম বিশ্বাসকে সাত দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত গত বুধবার নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে নাগরিক মঞ্চ বনধ ডাকে জলঙ্গীর সাহেবনগর বাজারে। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তাহিরুদ্দিন মন্ডলের নেতৃত্বে  গুলি ও বোমা ছোড়া হয়। গুলিতে দু’জনের মৃত্যু হয় ও তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়। তহিউদ্দিন মন্ডল ও সাহেবনগর পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী মিল্টন শেখের বিরুদ্ধে পরিবার থেকে আলাদা আলাদা অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে জলঙ্গি থানার পুলিশ। ধৃত আবুল কালাম বিশ্বাস কোর্টে যাওয়ার পথে বলেন, ‘মিল্টন শেখের বাড়িতে আমি রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলাম। সেই সময় মিলন ও তার ভাই আমার চোখের সামনে গুলি চালায়। আমার কোন দোষ নেই।’

এদিন তৌহিদ ও মিল্টন শেখকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মিছিল করে নাগরিক মঞ্চ। দেবীপুরের রাজ্য সড়কের ওপর মিছিলে মিল্টন শেখ ও তৌহিদের ফাঁসির দাবি করা হয়। নাগরিক মঞ্চের নেতা জব্বার শেখ বলেন, ‘অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করুক পুলিশ। না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।’

কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে নাগরিক মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল গ্রামবাসীরা। পুলিশের সামনেই নেতা তহিরুদ্দিনের নেতৃত্বে গুলি ও বোমা ছোড়া হয়। দু’জনের মৃত্যু ও কয়েকজন আহত হয়েছে। পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই সমস্ত তথ্য পাবে। সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক ইউনিস বিশ্বাস বলেন, তৃণমূলের ব্লক সভাপতির নেতৃত্বে নিরীহ মানুষদের উপর গুলি চালানো হয়েছে। আমরা নিরপেক্ষ তদন্ত চাইছি।

First published: January 31, 2020, 10:02 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर