corona virus btn
corona virus btn
Loading

গোপনে প্রসব করা অবিবাহিত মহিলার সন্তান বিক্রি হচ্ছিল মোটা টাকায়! পুলিশের জালে নার্সিংহোম

গোপনে প্রসব করা অবিবাহিত মহিলার সন্তান বিক্রি হচ্ছিল মোটা টাকায়! পুলিশের জালে নার্সিংহোম
প্রতীকী চিত্র ৷
  • Share this:

SARADINDU GHOSH

#বর্ধমান: মোটা টাকায় গোপনে অবিবাহিত মহিলার সন্তান প্রসব করানো হত। তারপর তাঁর সেই সদ্যোজাত সন্তানকে মোটা টাকায় বিক্রি করা হত সন্তানহীন দম্পতিকে। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল বর্ধমানের লাইফ লাইন নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে। সদ্যোজাত শিশুকন্যা পাচারের অভিযোগে ইতিমধ্যেই বর্ধমানের ভাঙাকুটি এলাকার জিটি রোড লাগোয়া এই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। সদ্যোজাত পাচারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এই নার্সিংহোমের এক টেকনিসিয়ানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে সদ্যোজাত কেনার ঘটনায় অভিযুক্ত কাটোয়ার দম্পতিকেও। খোঁজ চলছে নার্সিংহোমের ডাক্তার তথা মালিক মোল্লা কাশেম আলির। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জেলা স্বাস্থ্য দফতরও।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা নার্সিংহোমগুলির মধ্যে অনেকগুলিতেই বেআইনিভাবে মোটা টাকার বিনিময়ে গর্ভপাত করানো হয়। আইনত কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হলেও অনেক নার্সিংহোমেই মোটা টাকায় ভ্রুনের লিঙ্গ নির্ধারণও হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে সন্তান প্রসবের পর মৃত সন্তান দেখিয়ে জীবিত সন্তানকে মোটা টাকায় বিক্রি করা হয়।

অভিযোগ, গত ছ’মাস আগে কাটোয়ার পানুহাটের দম্পতিকে একটি সদ্যোজাত কন্যাসন্তান দেওয়া হয়েছিল। তার আগে ওই দম্পতির সঙ্গে টাকার রফা হয় নার্সিংহোমের। সেই রফা অনুযায়ী, প্রদীপ বিশ্বাসের স্ত্রী অনুশ্রী বিশ্বাসকে অন্তঃস্বত্ত্বা সাজিয়ে নার্সিংহোমে ভর্তি রাখা হয়। দু’দিন পর তাঁকে দেওয়া হয় কন্যা সন্তান। কাগজপত্রও তৈরি করে দেওয়া হয়। তাতে দেখানো হয় তনুশ্রীদেবীই ওই কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তাতে শিশুপাচারে অভিযুক্ত ডাক্তার মোল্লা কাসেম আলির সই রয়েছে।​

পুলিশ ধৃত টেকনিসিয়ান শৈবাল রায়কে জেরা করে জানতে পারে, এক অবিবাহিত মহিলার গর্ভে জন্ম হওয়া শিশুকন্যাকে ওই দম্পতির কাছে বিক্রি করা হয়েছিল। সামাজিক লজ্জার ভয়ে অবিবাহিত মহিলারা জন্ম দেওয়া সন্তান নিতে চান না। সেইসব সন্তানকে মোটা টাকায় বিক্রি করার কথা শোনা যায়। এক্ষেত্রে তেমনটাই হয়েছিল কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Published by: Simli Raha
First published: December 14, 2019, 4:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर