বিজেপি কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, গোষ্ঠী সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পূর্ব বর্ধমান, জ্বলল আগুন

বিজেপি কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, গোষ্ঠী সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পূর্ব বর্ধমান, জ্বলল আগুন
বিজেপির পতাকা নিয়ে একদল কর্মী সমর্থক বর্ধমান শহরের ঘোড়দৌড় চটি এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালালেও এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের মদত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি নেতৃত্ব।

বিজেপির পতাকা নিয়ে একদল কর্মী সমর্থক বর্ধমান শহরের ঘোড়দৌড় চটি এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালালেও এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের মদত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি নেতৃত্ব।

  • Share this:

#বর্ধমান: বিজেপি দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করল কারা তা নিয়েই শুরু হয়েছে শাসক-বিরোধী চাপানউতোর। বিজেপির পতাকা নিয়ে একদল কর্মী সমর্থক বর্ধমান শহরের ঘোড়দৌড় চটি এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালালেও এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের মদত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। অন্যদিকে কড়া ভাষায় বিজেপির এই অভিযোগ খন্ডন করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাত পর্যন্ত পুলিশ সাতজনকে আটক করেছে। তারা দীর্ঘদিনের বিজেপি কর্মী বলে এলাকায় পরিচিত।

দলের বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার পর্যবেক্ষক জেলা কার্যালয় রয়েছেন জেনে সেখানে অনুগামীদের নিয়ে হাজির হন জেলার বিভিন্ন প্রান্তের দীর্ঘদিনের বিজেপি নেতারা। তাঁরা পার্টি অফিসে ঢুকে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। সেই সময় আদি বিজেপি ও নব বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি বেঁধে যায়। একে অপরের বিরুদ্ধে ইট বৃষ্টি শুরু করে। সেই ইটের আঘাতে ভেঙে পড়ে জেলা কার্যালয়ের সব জানলার কাচ। বর্ধমান থানার পুলিশ গিয়ে লাঠিপেটা করে আদি বিজেপি কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে এলাকার দখল নেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে বিজেপি জেলা নেতারা সংবাদমাধ্যমের কাছে এসে জানান, তৃণমূলের ইন্ধনেই এই ঘটনা ঘটেছে । বিজেপি নেতা প্রবাল রায় বলেন, পায়ের তলায় মাটি নেই বুঝেই বিজেপির পতাকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এই ভাঙচুর চালিয়েছে। সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ভাবে এই কাজ করেছে তারা। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূলের পূর্ব বর্ধমান জেলার সভাপতি মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, নিজেরাই নিজেদের পার্টি অফিসে ভাঙচুর করছে, মারপিট করছে, পুলিশকে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে। এখন তারা তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে ঘটনার দায় এড়াতে চাইছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোন যোগ নেই তা জেলার প্রতিটি বাসিন্দার কাছে পরিষ্কার। যত দিন যাবে বিজেপির এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তত প্রকট হয়ে দেখা দেবে।


Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published:

লেটেস্ট খবর