বিজেপি মহিলা মোর্চার সদস্যদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, উত্তেজনা এলাকায়

বিজেপি মহিলা মোর্চার সদস্যদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

বুধবার রাতের ঘটনা। দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়েছে বলে খবর চাউর হয়ে গেলে সেখানে বিজেপি কর্মী নেতারা জমায়েত করতে শুরু করে। বর্ধমান থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

  • Share this:

#বর্ধমান: বিজেপির মহিলা মোর্চার কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দেয় বর্ধমান শহরের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে। দলের কর্মসূচি থাকায় বিজেপির মহিলা মোর্চার বেশ কয়েকজন সদস্য উপস্থিত হয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময়ে তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়।

বেশ কয়েকজন মহিলাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বুধবার রাতের ঘটনা। দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়েছে বলে খবর চাউর হয়ে গেলে সেখানে বিজেপি কর্মী নেতারা জমায়েত করতে শুরু করে। বর্ধমান থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবারও এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের মুখে মুখে গত রাতের ঘটনা নিয়ে আলোচনা চলছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার প্রাক্তন কাউন্সিলর তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সনৎ বক্সির সঙ্গে একাধিকবার বিজেপির মহিলা কর্মীদের বচসার ঘটনা ঘটেছিল। এর আগে বিজেপি মহিলা কর্মীরা দেওয়াল লিখন করতে গেলে তাঁদের মারধর করা হয় এবং দেওয়ালে কালি লেপে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও বিজেপির যুব কর্মীদের উপর কয়েকদিন আগেই হামলার ঘটনাও ঘটেছিল।

বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্যদের দাবি, দুদিন ধরেই হামলার ছক কষা হচ্ছে বলে খবর ছিল। বুধবার রাতে এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর সনৎ বক্সির নেতৃত্বে বেশ কয়েক জন দুষ্কৃতী মহিলাদের উপর চড়াও হয়। মহিলাদের মারধর করা হয়। গলার সোনার হার ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। বিজেপির মহিলা কর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল নেতাকর্মীদের হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক ভিড় জমে যায়। অন্যান্য জায়গা থেকে বিজেপি নেতা কর্মীরা জমায়েত করতে শুরু করে। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অভিযুক্ত প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সনৎ বক্সি অবশ্য হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, "এলাকায় কিছু মহিলা বেশ কিছুদিন ধরেই খারাপ কাজ করছিল। স্থানীয় দোকানদাররা তার প্রতিবাদ করলে ওই মহিলারা আমার উপর চড়াও হয়। আমার গলার সোনার চেন ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছে তারা। পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি। আশাকরি পুলিশ উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবে।"

Saradindu ghosh

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: